বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা

Published:

Mimi Chakraborty
Follow

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বনগাঁর শো কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের জট যেন কিছুতেই কাটছে না। হেনস্থার অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জামিনে ছাড়া পেয়ে অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী। কিছুতেই কাটছে না জটিলতা। এমতাবস্থায় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে (Mimi Chakraborty) ফের বিপাকে ফেলতে এবার বনগাঁ আদালতের দ্বারস্থ হলেন তনয় শাস্ত্রী। মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য, এই জোড়া অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হল দুটি মামলা।

বনগাঁর শো কাণ্ড নিয়ে বিতর্ক

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল একটি কনসার্টকে ঘিরে। বনগাঁ নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু সেখানে মিমি চক্রবর্তী হেনস্থার অভিযোগ তোলেন অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারও করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে। এই ঘটনায় মিমি চক্রবর্তী বনগাঁ মহকুমা আদালতে গোপন জবানবন্দিও দেন। বর্তমানে তনয় শাস্ত্রী জামিনে মুক্ত। আর জেল থেকে বেরিয়েই তিনি এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের করলেন দুটি মামলা।

মিমির বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের

রিপোর্ট মোতাবেক, বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন তনয় শাস্ত্রী। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি তাঁর হয়ে মামলা করেছেন। মিথ্যা অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথম মামলাটি মানহানির। তনয়ের অভিযোগ, অভিনেত্রী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। দ্বিতীয় মামলাটি চুক্তিভঙ্গ সংক্রান্ত। তনয় শাস্ত্রীর দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য মিমি ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়েছিলেন, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হননি। সেই অগ্রিম অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে মামলায়।

আরও পড়ুন: দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর দায়ের করা অভিযোগের বিপক্ষে কথা বলেছে বনগাঁ নয়াগোপালগঞ্জে যুবক সংঘ। তাঁদের দাবি, “নির্দিষ্ট সময়ের ঘন্টাখানেক পর মিমি চক্রবর্তী মঞ্চে আসেন। বারোটা পর্যন্ত আমাদের অনুষ্ঠানের অনুমতি নেওয়া ছিল। তাই তাঁকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয়।” যদিও সেই সকল অভিযোগকে কান না দিয়েই একের পর এক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে। এদিকে জোড়া মামলা নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি প্রাক্তন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর তরফে।