বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে চলছে যুবসাথীর (Banglar Yuva Sathi) আবেদন প্রক্রিয়া। গত রবিবার অর্থাৎ 15 ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বেকার ভাতা প্রকল্পে আবেদনের জন্য বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পের সামনে লম্বা লাইন পড়ছে রাজ্যের শিক্ষিত অথচ বেকার যুবক যুবতীদের। সকলেরই লক্ষ্য এক, সঠিক পদ্ধতিতে ফর্ম ফিলাপ করে সরকার প্রদত্ত 1500 টাকা অ্যাকাউন্টে আনা।
তবে যুবসাথীর আবেদন করতে গিয়ে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আবেদনকারীরা। নতুন সরকারি প্রকল্পের আবেদনপত্রে ক্যাম্পের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার জায়গা থাকলেও অনেক সময় পঞ্চায়েত বা পৌরসভা কিংবা ক্যাম্প থেকে দেওয়া হচ্ছে না সেই নম্বর। অনেকের অভিযোগ, ফর্ম ফিলাপ করার পর নিচের ছোট অংশ অর্থাৎ রিসিপট দেওয়া হচ্ছে না। কোথাও আবার, হাজার হাজার রিসিপট কপির মধ্যে থেকে নিজেদের নির্দিষ্ট রিসিপট খুঁজে নিতে বলছে কর্তৃপক্ষ। সবমিলিয়ে, যুবসাথী প্রকল্পে সঠিকভাবে আবেদন করেও মাসিক ভাতা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে কিনা তা নিয়ে ধন্ধে অনেকেই।
ফর্মের রিসিপট কপি না পেলে ঢুকবে না 1500 টাকা?
আবেদনকারীদের অনেকেরই প্রশ্ন, যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম জমা দেওয়ার পর মিলছে না রিসিপট কপি। সে ক্ষেত্রে কি পাওয়া যাবে না যুবসাথী প্রকল্পের 1500 টাকা? এ নিয়ে অবশ্য সরকারের (Government Of West Bengal) আলাদা করে কোনও বিজ্ঞপ্তি নেই। তবে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাম্পের আধিকারিক থেকে শুরু করে অন্যান্য সরকারি কেন্দ্রগুলির কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ফর্ম সঠিকভাবে ফিলাপ করে জমা দেওয়ার পর যাবতীয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সেরে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় সরকারি দপ্তরে। ফলে রিসিপট কপি না পেলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাসিক ভাতা পেতে কোনও সমস্যা হবে না।
অবশ্যই পড়ুন: ভারতে হবে BBL 2026-27 এর উদ্বোধনী ম্যাচ! বড় সিদ্ধান্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার
কতদিন চলবে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গাইড লাইন অনুযায়ী, গত 15 ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। সরকারের নতুন নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত এই প্রকল্পের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ 26 ফেব্রুয়ারি। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই মনে করছেন, রাজ্যের প্রত্যেক যোগ্য বেকার যুবক-যুবতী যাতে এই প্রকল্প থেকে মাসিক ভাতা পেতে পারেন সেজন্য এই প্রকল্পে আবেদনের সময়সীমা বাড়াতে পারে রাজ্য সরকার।












