এদের বাদ দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে! ঘোষণায় বিতর্ক

Published:

Sukanta Majumdar allegation
Follow

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই এগিয়ে আসছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের সময়। আর তার জন্যই ভোটের প্রচার চালাতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি। এমতাবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জানা গিয়েছে, যারা বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন, তাদের নাকি যুব সাথী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেবে বলে হুংকার দিচ্ছে তৃণমূল। এই নিয়ে একটি স্ক্রিনশট করেন সুকান্ত মজুমদার।

চাঞ্চল্যকর স্ক্রিনশট শেয়ার সুকান্তর

বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিন শট শেয়ার করেছেন। যেখানে গ্রুপের নাম লেখা ২৬৭ নং বুথ তৃণমূল। সেই বার্তায় লেখা রয়েছে যে, “মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ সভায় যে সকল গেরুয়া শিবিরের কার্যকর্তারা এবং সমর্থকরা যাবেন, তাঁদের সকলের যুব সাথী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হবে! তাই তৃণমূলের সমস্ত কর্মী সমর্থকদের জানানো হচ্ছে যে আপনারা সকলে সকাল থেকে একটুখানি খবর রাখবেন কারা কারা যায় এবং তার নাম বুথের নেতৃত্বকে জানানোর জন্য বিশেষ ভাবে আহ্বান জানাই।” আর এই বার্তা ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে। কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সুকান্ত।

চরম কটাক্ষ তৃণমূলকে

সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলকে টার্গেট করে লিখেছেন, “সমাজবিরোধী দুর্বৃত্ত তৃণমূল কংগ্রেস কতটা নীচ এবং ন্যক্কারজনক প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা পোষণ করে, তা স্পষ্ট হয়ে যায় তাদের দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মেসেজ দেখলেই!” সঙ্গে তিনি আরও লিখেছেন, “তৃণমূলের এই জঘন্য প্রতিহিংসামূলক মানসিকতা প্রমাণ করে দেয়, গ্রামেগঞ্জে কী ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চাকে রুদ্ধ করতে এ ধরনের হুমকি ও বঞ্চনার রাজনীতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাংলার প্রান্তিক খেটে খাওয়া মানুষের উপর এই ন্যক্কারজনক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উপযুক্ত জবাব হবে।” যদিও এই রাজনৈতিক তরজার মাঝে এখনও পর্যন্ত শাসক দলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

প্রসঙ্গত, গতকাল অর্থাৎ রবিবার, পশ্চিম গড়বেতায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার সভার আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপদেষ্টা তথা শিক্ষক রাজেশ মাহাতো বিজেপিতে যোগদান করেন। শুরু হয় নানা রাজনৈতিক তরজা। রাজনৈতিক মহলের দাবি, রাজেশ মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে কুড়মি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। আর তাঁর এই যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছে বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ এটি জঙ্গলমহল এলাকায় কুড়মি ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলবে।