সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রতিশ্রুত রেখেছে বিজেপি সরকার (Government of West Bengal)। চলছে আবেদন। এমনকি আজ থেকেই এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া শুরু হচ্ছে। তবে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা যুবসাথী প্রকল্পকে চ্যালেঞ্জ করে বিজেপি প্রতিশক্তি দিয়েছিল যুবশক্তি প্রকল্পের (Yuva Shakti Scheme), যেখানে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রকল্পে কবে থেকে আবেদন শুরু হচ্ছে আর কীভাবে আবেদন করতে হবে? এমনকি কী কী শর্ত রয়েছে তা বিশদে জানুন এই প্রতিবেদনে।
যুবশক্তি প্রকল্পে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যুবসাথী প্রকল্প চালু করেছিল, যেখানে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হত। এমনকি ভোটের আগে চালু করা এই প্রকল্পে দুই মাস ভাতাও পেয়েছিল বেকার যুবক-যুবতীরা। তবে ভোটের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা সরকার গঠন করতে পারলে সেই ভাতা একেবারে বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা করা হবে। আর প্রকল্পের নাম বদলে করা হবে যুবশক্তি। সেই মতো গত ৯ মে রাজ্যে সরকার গঠন হওয়ার পরেই বেকারদের মনে প্রশ্ন জাগছে যে, কবে থেকে এই প্রকল্পের আবেদন শুরু হবে আর কীভাবে আবেদন করতে হবে।
কী কী যোগ্যতা লাগবে এই প্রকল্পে আবেদন করতে?
যুবশক্তি ভরসা কার্ডে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে যে যে যোগ্যতা পূরণ করতে হবে সেগুলি হল—
- প্রথমত, তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- দ্বিতীয়ত, বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।
- তৃতীয়ত, বর্তমানে কোনও কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত থাকা যাবে না, বেকার হতে হবে।
- চতুর্থত, ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ করে থাকতে হবে।
কীভাবে আবেদন করা যাবে?
যদিও এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, অফলাইন এবং অনলাইন দু’ভাবে আবেদন করা যাবে। অফলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দিষ্ট ক্যাম্প বসানো হবে। সেখানে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হবে এবং সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। তাছাড়া অনলাইনে যুবসাথী প্রকল্পের পোর্টালের মাধ্যমেই হয়তো আবেদন করা যাবে।
আরও পড়ুন: পাটনায় খান স্যারের কোচিং সেন্টারের সামনে এলোপাথাড়ি গুলি, গুরুতর জখম ১
কী কী ডকুমেন্ট দরকার?
যুবশক্তি ভরসা কার্ডে আবেদন করার জন্য যে ডকুমেন্টগুলি চাওয়া হয়েছে সেগুলি হল—
- মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশীট এবং এডমিট কার্ড।
- বয়সের প্রমাণপত্র হিসেবে বার্থ সার্টিফিকেট কিংবা মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড।
- আধার কার্ড এবং ভোটার আইডি কার্ড।
- প্রার্থীর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
- পরিবারের বার্ষিক আয়ের সার্টিফিকেট।










