প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রতিশ্রুতি রাখলেন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার (Government Of West Bengal)! বাজেটের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী আগস্ট মাস থেকে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের (Asha and Anganwadi Worker) মাসিক সাম্মানিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই রাজ্য নারী ও শিশুকল্যাণ এবং সমাজকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। খুশির মহল তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যে।
বেতন বাড়ানো হল কর্মীদের
সম্প্রতি রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছে যে রাজ্য সরকারের অন্তর্গত আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক বাজেটে ঘোষণা অনুযায়ী বাড়ানো হচ্ছে। আশা কর্মীদের সাম্মানিক আগের ৬,২৫০ টাকা বেতনের সঙ্গে আরও ৫,০০০ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১১ হাজার ২৫০ টাকা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৯,৫০০ টাকা, এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে প্রাপ্য ৪,৫০০ টাকা যোগ হয়ে বেতন বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার টাকা।
দেওয়া হবে পারফরম্যান্স ভিত্তিক ইনসেনটিভও
আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কদের অতিরিক্ত সাম্মানিক বাড়িয়ে ৯,৫৫০ টাকা করা হয়েছে। এবং এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে প্রাপ্য ২,২৫০ টাকা যোগ করলে তাঁদের মাসিক সাম্মানিক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ছাড়াও পারফরম্যান্স ভিত্তিক ইনসেনটিভও পাবেন তাঁরা। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এই অতিরিক্ত সম্মানিকের সম্পূর্ণ খরচ রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করবে এবং আগস্ট মাসের প্রথম দিন থেকে নতুন এই ভাতা কার্যকর হবে বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে এই বাম্পার মাসিক বেতন বৃদ্ধি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া সংশ্লিষ্ট মহলগুলিতে।
আরও পড়ুন: অভিষেকের সেবাশ্রয়ে ভুল চিকিৎসায় বাদ পড়ল পা! ১১ জনের বিরুদ্ধে FIR মহিলার
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে জটিল সমস্যা তৈরি হয়েছিল। পূর্বতন সরকারকেও এই ব্যাপারে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নিয়ে কোনরকম পদক্ষেপ নেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে সরকার পরিবর্তন হতেই সাম্মানিক ভাতার অঙ্কে বড়সড় বৃদ্ধি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আশা করা যাচ্ছে বেতন বৃদ্ধির ফলে গ্রামীণ ও শহরাঞ্চল স্বাস্থ্য ও শিশু সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত হাজার হাজার নারী কর্মীর জীবনযাত্রার মানের উন্নতি হবে।










