প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) সময় যে ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু বিধানসভা ভোট কবে? কত দফায় হবে নির্বাচন? কবে ভোট ঘোষণা? ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে এখনও সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি। ঠিক এই আবহেই রাজ্যে ভোটের ইস্যুতে মুসলিম মহিলাদের ভোটদানের ক্ষেত্রে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। অনুসরণ করা হবে বিহারের রীতি।
বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বিশেষ নির্দেশ
সূত্রের খবর, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিহার মডেলের বেশ কিছু নিয়ম চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম হল আলাদা কাউন্টার নীতি। বিহারে প্রতিটি বুথে একটি আলাদা কাউন্টার রাখা হয়। কোনও মহিলা যদি মুখ ঢেকে ভোট দিতে আসেন বা বোরখা পরে আসেন তাহলে তাঁকে ‘কাউন্টার’-এ গিয়ে নিজের মুখ পরিচয়পত্র ও মুখের পর্দা খুলে দেখালে তবেই ভোট দেওয়ার ছাড়পত্র মিলবে। যদিও এই সিদ্ধান্ত সংখ্যালঘুদের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা-ও চিন্তাভাবনার মধ্যে রাখছে কমিশন। অন্যদিকে আবার বিচারাধীন থাকা কোনও ব্যক্তি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন না বলে সাফ জানাল কমিশন।
মনোনয়ন দাখিল নিয়ে সমস্যা
ইতিমধ্যেই বিচারাধীন তালিকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগের আধিকারিকরা। চূড়ান্ত তালিকার আংশিক প্রকাশের পরে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশের কথা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষের সমাধান হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকা আগামী সপ্তাহের শেষে প্রকাশ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। যদিও সেই নিয়ে আতঙ্কিত ভোটে দাঁড়াতে ইচ্ছুক বিচারাধীন প্রার্থীরা। কারণ সেই তালিকা প্রকাশ হলে তাঁরা মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন কি না তা চূড়ান্ত হবে। সবটাই গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বিচারকরা। যদি বিচারকদের বিচারে কেউ বাতিল হয় তাহলে তাঁকে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে। কিন্তু কবে সেটি গঠন হবে তা অনিশ্চিত।
আরও পড়ুন: দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বয়স্ক ভোটারদের পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রে বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে খবর কমিশনের তরফে। পাশাপাশি তাঁদের জন্য ভোটকেন্দ্রগুলি বিল্ডিংয়ের নীচের তলায় রাখা হবে। এছাড়াও তাঁদের সুবিধার্থে বিশেষ হুইল চেয়ার থাকবে। এবং সেগুলো চালানোর জন্য ভলান্টিয়ার থাকবে। এবং ভোটকেন্দ্রের প্রত্যেক বুথে পানীয় জলের রাখার পাশাপাশি ভোটার সহায়তা কেন্দ্র থাকবে।












