‘মোফাক্কেরুলই উস্কানিদাতা’, কালিয়াচক কাণ্ডে মুখ খুললেন এডিজি উত্তরবঙ্গ

Published:

Kaliachak Violence

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে SIR নিয়ে প্রতিবাদ করায় গত বুধবার মালদহে কালিয়াচকে (Kaliachak Violence) সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারদের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। যা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এমতাবস্থায় কমিশন (Election Commission Of India) রাজ্যের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। আর আজ সকালেই ঘটনার মূলচক্রী মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন এডিজি উত্তরবঙ্গ (ADJ North Bengal) কে জয়রামন।

গ্রেফতার করা হয় আইনজীবী মোফাক্কেরুলকে

নির্বাচন কমিশনারের সূত্রে জানা গিয়েছে আজ, শুক্রবার সকালে পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল পালানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ ওইদিন তিনি নাকি সাধারণ মানুষকে উস্কানি দিয়েছেন SIR এর প্রতিবাদ করার জন্য। তাঁকে ওইদিন একটি গাড়ির বনেটে উঠে ভাষণ দিতে দেখা গিয়েছিল। যেটি উস্কানিমূলক ছিল। সুপ্রিম কোর্ট গোটা ঘটনা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক নিন্দা করেছে। আর এবার কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে বক্তব্য রাখলেন এডিজি উত্তরবঙ্গ কে জয়রামন।

মুখ খুললেন এডিজি উত্তরবঙ্গ কে জয়রামন

রিপোর্ট মোতাবেক উত্তরবঙ্গের এডিজি আজ সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “রোড ব্লক হয়েছে, সেগুলি নিয়ে মালদহ জেলায় মোট ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ জন গ্রেফতার হয়েছে। আমরা মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছি। তিনি ইটাহার থানার বাসিন্দা, একজন অ্যাডভোকেট। মূলত তিনিই উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। সিআইডি-কে আমরা অনুরোধ করেছিলাম, শিলিগুড়ি পুলিশের সহায়তায় ওকে আমরা আজ সকালে গ্রেফতার করেছি বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে। এছাড়াও আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। সম্ভবত ওরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিল। ওদের মালদহে আনা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন: পেনশন প্রাপকদের চিন্তা দূর করল নবান্ন

বিচারকদের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার প্রসঙ্গে এডিজি উত্তরবঙ্গ কে জয়রামন জানান যে, “ মিছিলে অনেক মহিলা ও বাচ্চাও জড়ো হয়েছিল, সেই কারণে শক্তি প্রয়োগ করা যায়নি। কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি কেসে ওঁর নাম আছে। বাকি জায়গায় অন্য কোনও কেসে ওঁ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখব। আমরা কোনও বেআইনি কার্যকলাপ মানব না। রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। আমাদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল। মানছি যে দেরি হয়েছিল। কারোর কোনও গাফিলতির জন্য এই দেরি হয়েছে। এটা সুপ্রিম কোর্টের বিষয়। এই নিয়ে বেশি কিছু বলব না। ” সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে NIA তদন্তভার নিচ্ছে, তাই তারা চাইলে ধৃতকে হেফাজতে নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

google button