রেলের হাসপাতালে পেপারলেস চিকিৎসা, UMID কার্ডে মিলবে সব সুবিধা

Published:

Indian Railways

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় সিদ্ধান্ত নিল রেল (Indian Railways)। ভারতীয় রেল স্বাস্থ্যসেবায় এক বড় পরিবর্তন এনে কাগজের রেফারেল ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করেছে। ১ মে, ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী, রেল কর্মচারী এবং তাদের নির্ভরশীলদের এখন থেকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ইউএমআইডি (UMID) কার্ড এবং ওটিপি-ভিত্তিক ডিজিটাল রেফারেলের প্রয়োজন হবে। পেপারলেস হবে সব কাজ বলে খবর।

পশ্চিম মধ্য রেলের নির্দেশিকার পর, এই ব্যবস্থাটি দেশব্যাপী চালু করা হয়েছে, যার আওতায় মুম্বাইয়ের সেন্ট্রাল এবং ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের লক্ষ লক্ষ কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত। নতুন ব্যবস্থার অধীনে, বাইকুল্লার রেলওয়ে হাসপাতাল থেকে শুরু করে মুম্বাই সেন্ট্রালের জগজীবন রাম হাসপাতাল পর্যন্ত আর কাগজের রেফারেল দেওয়া হবে না। এছাড়া রেফারেলগুলি ডাক্তাররা সরাসরি একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাঠাবেন, যা এইচএমআইএস (HMIS) সিস্টেম এবং মোবাইল অ্যাপে দেখা ও ডাউনলোড করা যাবে। এই ব্যবস্থাটি UMID এবং HMIS সিস্টেমের মাধ্যমে রোগীর সম্পূর্ণ তথ্য অনলাইনে স্থানান্তর করবে। বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তির জন্য রোগীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো একটি ওটিপি বাধ্যতামূলক হবে। ওটিপি যাচাইয়ের পরেই চিকিৎসা শুরু হবে।

উপকৃত হবেন রেল কর্মীরা

শুধু তাই নয়, এই নতুন ব্যবস্থা দেশের ১২৮টি রেল হাসপাতাল এবং ৫৮২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লাগু হবে। রেলের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন রেল কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপক এবং নির্ভরশীলরা। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছে যে তাদের ইউএমআইডি কার্ড অবশ্যই সক্রিয় এবং আপডেট হওয়া থাকতে হবে, এইচএমআইএস মোবাইল অ্যাপের ব্যবহার বাধ্যতামূলক এবং মোবাইল নম্বরটি অবশ্যই সঠিক ও আপডেটেড হতে হবে। ওটিপি না মিললে চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

আরও পড়ুনঃ অপেক্ষার অবসান, এবার হাওড়া থেকে দিল্লি অবধি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস! জেনে নিন রুট

নতুন ব্যবস্থায়, কাগজের রেফারেল সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে এবং শুধুমাত্র ডিজিটাল রেফারেলই বৈধ হবে। রোগীরা তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলো থেকে তাদের পছন্দের হাসপাতাল বেছে নিতে পারবেন। জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে, রোগীরা সরাসরি বেসরকারি হাসপাতালে যেতে পারবেন, তবে UMID কার্ড নম্বর এবং ওটিপি ব্যবহার করে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক হবে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেলওয়ের কাছ থেকে অনলাইনে অনুমতি নিতে হবে। এইভাবে, রেলওয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল করেছে, যেখানে এখন থেকে কাগজের পরিবর্তে ডিজিটাল ব্যবস্থা এবং ওটিপি-র উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করা হবে।