নতুন খবর
বাংলা ক্যালেন্ডার আপনার রাশিফল সোনার দাম রুপোর দাম পেট্রোলের দাম ডিজেলের দাম রান্নার গ্যাস আবহাওয়া খবর মন্ত্র ও ভক্তি
হনুমান
হনুমান • পাঠ

শ্রী বজরং বাণ - Bajrang Baan in Bengali Lyrics, Meaning, PDF

বজরং বাণ হল ভগবান হনুমানের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও সিদ্ধ পাঠ। মহাকবি সাধক গোস্বামী তুলসীদাস রচিত এই পাঠে রামভদ্র শ্রী হনুমানের শপথ দিয়ে সমস্ত সংকট, শত্রুভয়, ভূত-প্রেত বাধা ও জীবনের অসাধ্য বাধা দূর করা হয়।

বজরং বাণ পাঠ (Bajrang Baan Lyrics in Bengali)

শ্রী বজরং বাণ পাঠের প্রধান ৩টি অংশ- ১) প্রাথমিক দোহা, ২) ৩২টি অমোঘ চৌপাঈ এবং ৩) সমাপনী দোহা। নিচে সম্পূর্ণ পাঠ তুলে ধরা হলো:

প্রাথমিক দোহা - Opening Doha
নিশ্চয় প্রেম প্রতীতি তে, বিনয় করৈ সনমান ।
তেহি কে কারজ সকল সুভ, সিদ্ধ করৈ হনুমান ॥
চৌপাঈ - Choupai (৩২টি অমোঘ শ্লোক)
জয় হনুমংত সংত হিতকারী । সুন লীজৈ প্রভু অরজ হমারী ॥ (১)
জন কে কাজ বিলংব ন কীজৈ । আতুর দৌরি মহা সুখ দীজৈ ॥ (২)
জৈসে কূদি সিংধু মহিপারা । সুরসা বদন পৈঠি বিস্তারা ॥ (৩)
আগে জায় লংকিনী রোকা । মারেহু লাত গী সুরলোকা ॥ (৪)
জায় বিভীষন কো সুখ দীন্হা । সীতা নিরখি পরমপদ লীন্হা ॥ (৫)
বাগ উজারি সিংধু মহং বোরা । অতি আতুর জমকাতর তোরা ॥ (৬)
অক্ষয় কুমার মারি সংহারা । লূম লপেটি লংক কো জারা ॥ (৭)
লাহ সমান লংক জরি গী । জয় জয় ধুনি সুরপুর নভ ভী ॥ (৮)
অব বিলংব কেহি কারন স্বামী । কৃপা করহু উর অংতরয়ামী ॥ (৯)
জয় জয় লখন প্রান কে দাতা । আতুর হ্বৈ দুখ করহু নিপাতা ॥ (১০)
জৈ হনুমান জযতি বল-সাগর । সুর-সমূহ-সমরথ ভট-নাগর ॥ (১১)
ওং হনু হনু হনু হনুমংত হঠীলে । বৈরিহি মারু বজ্র কী কীলে ॥ (১২)
ওং হ্নীং হ্নীং হ্নীং হনুমংত কপীসা । ওং হুং হুং হুং হনু অরি উর সীসা ॥ (১৩)
জয় অংজনি কুমার বলবংতা । শংকরসুবন বীর হনুমংতা ॥ (১৪)
বদন করাল কাল-কুল-ঘালক । রাম সহায় সদা প্রতিপালক ॥ (১৫)
ভূত, প্রেত, পিসাচ নিসাচর । অগিন বেতাল কাল মারী মর ॥ (১৬)
ইন্হেং মারু, তোহি সপথ রাম কী । রাখু নাথ মরজাদ নাম কী ॥ (১৭)
সত্য় হোহু হরি সপথ পাই কৈ । রাম দূত ধরু মারু ধাই কৈ ॥ (১৮)
জয় জয় জয় হনুমংত অগাধা । দুখ পাবত জন কেহি অপরাধা ॥ (১৯)
পূজা জপ তপ নেম অচারা । নহিং জানত কছু দাস তুম্হারা ॥ (২০)
বন উপবন মগ গিরি গৃহ মাহীম্ । তুম্হরে বল হৌং ডরপত নাহীম্ ॥ (২১)
জনকসুতা হরি দাস কহাবৌ । তাকী সপথ বিলংব ন লাবৌ ॥ (২২)
জৈ জৈ জৈ ধুনি হোত অকাসা । সুমিরত হোয় দুসহ দুখ নাসা ॥ (২৩)
চরন পকরি, কর জোরি মনাবৌম্ । যহি ঔসর অব কেহি গোহরাবৌম্ ॥ (২৪)
উঠু, উঠু, চলু, তোহি রাম দুহাঈ । পায়ং পরৌং, কর জোরি মনাঈ ॥ (২৫)
ওং চং চং চং চং চপল চলংতা । ওং হনু হনু হনু হনু হনুমংতা ॥ (২৬)
ওং সং সং সহমি পরানে খল-দল । ওং হং হং হাংক দেত কপি চংচল ॥ (২৭)
অপনে জন কো তুরত উবারৌ । সুমিরত হোয় আনংদ হমারৌ ॥ (২৮)
যহ বজরংগ-বাণ জেহি মারৈ । তাহি কহৌ ফিরি কবন উবারৈ ॥ (২৯) ...
পাঠ করৈ বজরংগ-বাণ কী । হনুমত রক্ষা করৈ প্রান কী ॥ (৩০)
যহ বজরংগ বাণ জো জাপৈম্ । তাসোং ভূত-প্রেত সব কাপৈম্ ॥ (৩১)
ধূপ দেয় জো জপৈ হমেসা । তাকে তন নহিং রহৈ কলেসা ॥ (৩২)
সমাপনী দোহা - Closing Doha
ুর প্রতীতি দৃঢ়, সরন হ্বৈ, পাঠ করৈ ধরি ধ্য়ান ।
বাধা সব হর, করৈং সব কাম সফল হনুমান ॥

সিয়াবর রামচংদ্রকী জয় । পবনসুত হনুমানকী জয় । বোলো ভায়ী সব সনাতন কী জয় । 🙏

হনুমান স্তোত্র, চালিশা ও পাঠসমূহ

বজরং বাণ বাংলা অনুবাদ (Bajrang Baan Bengali Meaning)

শ্রী বজরং বাণের শ্লোকগুলির সরল ও প্রাঞ্জল বাংলা অর্থ নিচে দেওয়া হলো:

দোহার বাংলা অনুবাদ

নিশ্চয় প্রেম প্রতীতি তে, বিনয় করৈ সনমান।
তেহি কে কারজ সকল সুভ, সিদ্ধ করৈ হনুমান॥
যে ব্যক্তি পূর্ণ প্রেম, অটুট বিশ্বাস এবং বিনয়ের সাথে হনুমানজীর সম্মান করে প্রার্থনা করেন, হনুমানজী তাঁর সকল কাজ শুভ ও সফল করে দেন।

চৌপাঈর বাংলা অনুবাদ (১-৩২ শ্লোক)

১. জয় হনুমংত সংত হিতকারী । সুন লীজৈ প্রভু অরজ হমারী ॥সন্তদের কল্যাণকারী হে হনুমানজী, আপনার জয় হোক! হে প্রভু, দয়া করে আমাদের বিনীত প্রার্থনা শুনুন।
২. জন কে কাজ বিলংব ন কীজৈ । আতুর দৌরি মহা সুখ দীজৈ ॥আপনার ভক্তের কাজ সম্পূর্ণ করতে একটুও দেরি করবেন না। হে নাথ, তাড়াতাড়ি ছুটে আসুন এবং আমাদের মহাসুখ প্রদান করুন।
৩. জৈসে কূদি সিংধু মহিপারা । সুরসা বদন পৈঠি বিস্তারা ॥যেভাবে আপনি এক লাফে বিশাল সমুদ্র পার হয়েছিলেন এবং সুরসার মুখের ভেতর ঢুকে নিজের রূপ বড় করেছিলেন।
৪. আগে জায় লংকিনী রোকা । মারেহু লাত গী সুরলোকা ॥লঙ্কার দরজায় যখন লঙ্কিনী আপনাকে বাধা দিয়েছিল, তখন আপনি তাকে লাথি মেরে দেবলোকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
৫. জায় বিভীষন কো সুখ দীন্হা । সীতা নিরখি পরমপদ লীন্হা ॥আপনি বিভীষণকে সুখ প্রদান করেছিলেন এবং মাতা সীতার দর্শন করে পরম পদ লাভ করেছিলেন।
৬. বাগ উজারি সিংধু মহং বোরা । অতি আতুর জমকাতর তোরা ॥আপনি অশোক কানন ধ্বংস করে রাক্ষসদের সমুদ্রে ডুবিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে ভয়ঙ্কর রাক্ষসদের সংহার করেছিলেন।
৭. অক্ষয় কুমার মারি সংহারা । লূম লপেটি লংক কো জারা ॥আপনি রাবণের পুত্র অক্ষয়কুমারকে সংহার করেছিলেন এবং লেজে আগুন লাগিয়ে পুরো লঙ্কাপুরী ভস্মীভূত করেছিলেন।
৮. লাহ সমান লংক জরি গী । জয় জয় ধুনি সুরপুর নভ ভী ॥মোমের মতো লঙ্কাপুরী পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল, আর স্বর্গে ও আকাশে আপনার জয়ের জয়ধ্বনি ধ্বনিত হয়েছিল।
৯. অব বিলংব কেহি কারন স্বামী । কৃপা করহু উর অংতরয়ামী ॥হে অন্তর্যামী স্বামী! এখন আর কীসের জন্য দেরি করছেন? আমাদের ওপর কৃপা দৃষ্টি বর্ষণ করুন।
১০. জয় জয় লখন প্রান কে দাতা । আতুর হ্বৈ দুখ করহু নিপাতা ॥লক্ষণজীর প্রাণ রক্ষাকারী হে মহাবীর, আপনার জয় হোক! শীঘ্র এসে আমাদের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর করুন।
১১. জৈ হনুমান জযতি বল-সাগর । সুর-সমূহ-সমরথ ভট-নাগর ॥বলের সাগর হে হনুমানজী, আপনার জয় হোক! আপনি দেবতাগণের রক্ষক ও পরম শক্তিশালী বীর।
১২. ওং হনু হনু হনু হনুমংত হঠীলে । বৈরিহি মারু বজ্র কী কীলে ॥হে পরাক্রমশালী হনুমানজী! আপনার শক্তির দ্বারা শত্রুদের বজ্রের মতো আঘাত করে বিনাশ করুন।
১৩. ওং হ্নীং হ্নীং হ্নীং হনুমংত কপীসা । ওং হুং হুং হুং হনু অরি উর সীসা ॥হে বানররাজ হনুমান! হুঙ্কার দিয়ে শত্রুদের হৃদয়ে ও মাথায় প্রহার করুন।
১৪. জয় অংজনি কুমার বলবংতা । শংকরসুবন বীর হনুমংতা ॥অঞ্জনীনন্দন পরম বলশালী শ্রী হনুমান, শিবের অবতার মহাবীর আপনার জয় হোক!
১৫. বদন করাল কাল-কুল-ঘালক । রাম সহায় সদা প্রতিপালক ॥আপনার ভয়ঙ্কর মুখ কাল ও শত্রুকুলকে সংহার করে। আপনি শ্রীরামের সহায় এবং ভক্তদের পরম প্রতিপালক।
১৬. ভূত, প্রেত, পিসাচ নিসাচর । অগিন বেতাল কাল মারী মর ॥ভূত, প্রেত, পিশাচ, নিশাচর, অগ্নি-বেতাল ও মহামারী রূপী সমস্ত অশুভ শক্তি—
১৭. ইন্হেং মারু, তোহি সপথ রাম কী । রাখু নাথ মরজাদ নাম কী ॥এদের বিনাশ করুন! আপনাকে শ্রীরামের শপথ, আপনার নামের মর্যাদা ও ভক্তের প্রাণ রক্ষা করুন।
১৮. সত্য় হোহু হরি সপথ পাই কৈ । রাম দূত ধরু মারু ধাই কৈ ॥শ্রীহরির শপথ সত্য প্রমাণিত হোক! হে রামদূত, ধেয়ে এসে অশুভ শক্তিদের ধরে সংহার করুন।
১৯. জয় জয় জয় হনুমংত অগাধা । দুখ পাবত জন কেহি অপরাধা ॥অসীম ক্ষমতাধর হনুমানজী! আপনার ভক্ত কোন্ অপরাধে কষ্ট পাচ্ছে? দয়া করে তাকে রক্ষা করুন।
২০. পূজা জপ তপ নেম অচারা । নহিং জানত কছু দাস তুম্হারা ॥আপনার এই দাস পূজা, জপ, তপ বা সঠিক নিয়ম-আচার কিছুই জানে না, শুধু আপনার শরণাগত।
২১. বন উপবন মগ গিরি গৃহ মাহীম্ । তুম্হরে বল হৌং ডরপত নাহীম্ ॥বনে-উপবনে, পর্বতে বা ঘরে—আপনার বলের আশ্রয়ে আমি কোথাও কোনো ভয় পাই না।
২২. জনকসুতা হরি দাস কহাবৌ । তাকী সপথ বিলংব ন লাবৌ ॥আপনি তো মাতা সীতা ও শ্রীহরির প্রিয় দাস, মাতা সীতার শপথ—আর এক মুহূর্তও দেরি করবেন না।
২৩. জৈ জৈ জৈ ধুনি হোত অকাসা । সুমিরত হোয় দুসহ দুখ নাসা ॥আকাশে আপনার জয়ধ্বনি ধ্বনিত হয়; আপনাকে স্মরণ করলেই দুঃসহ দুঃখ-কষ্ট নাশ পায়।
২৪. চরন পকরি, কর জোরি মনাবৌম্ । যহি ঔসর অব কেহি গোহরাবৌম্ ॥আমি আপনার চরণ ধরে, হাত জোড় করে বিনতি করছি; এই বিপদের সময়ে আর কার কাছে গিয়ে সাহায্য চাইব?
২৫. উঠু, উঠু, চলু, তোহি রাম দুহাঈ । পায়ং পরৌং, কর জোরি মনাঈ ॥উঠুন, চলুন, আপনাকে শ্রীরামের দোহাই! আমি আপনার পায়ে পড়ে হাত জোড় করে প্রার্থনা করছি।
২৬. ওং চং চং চং চং চপল চলংতা । ওং হনু হনু হনু হনু হনুমংতা ॥চঞ্চল গতিতে ধেয়ে আসুন হে হনুমানজী! শক্তির প্রকাশ ঘটান।
২৭. ওং সং সং সহমি পরানে খল-দল । ওং হং হং হাংক দেত কপি চংচল ॥আপনার হুঙ্কারে দুর্জনের দল ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়, হে চঞ্চল বানররাজ!
২৮. অপনে জন কো তুরত উবারৌ । সুমিরত হোয় আনংদ হমারৌ ॥নিজের ভক্তকে অবিলম্বে উদ্ধার করুন, আপনাকে স্মরণ করলেই আমাদের মন আনন্দে ভরে ওঠে।
২৯. যহ বজরংগ-বাণ জেহি মারৈ । তাহি কহৌ ফিরি কবন উবারৈ ॥যার ওপর এই অমোঘ বজরং বাণ চালিত হয় (যার জন্য এ পাঠ করা হয়), তাকে রক্ষা করার সাধ্য আর কারও নেই।
৩০. পাঠ করৈ বজরংগ-বাণ কী । হনুমত রক্ষা করৈ প্রান কী ॥যে ভক্ত ভক্তিভরে এই বজরং বাণ পাঠ করে, হনুমানজী নিজে তার প্রাণ রক্ষা করেন।
৩১. যহ বজরংগ বাণ জো জাপৈম্ । তাসোং ভূত-প্রেত সব কাপৈম্ ॥যে ব্যক্তি নিয়মিত বজরং বাণ জপ করে, তার ভয়ে সমস্ত ভূত-প্রেত ও অশুভ শক্তি থরথর করে কাঁপে।
৩২. ধূপ দেয় জো জপৈ হমেসা । তাকে তন নহিং রহৈ কলেসা ॥যে ব্যক্তি ধূপ-প্রদীপ জ্বালিয়ে নিষ্ঠার সাথে জপ করে, তার শরীরে কোনো রোগ বা মানসিক কষ্ট থাকে না।

সমাপনী দোহার বাংলা অনুবাদ

উর প্রতীতি দৃঢ়, সরন হ্বৈ, পাঠ করৈ ধরি ধ্য়ান।
বাধা সব হর, করৈং সব কাম সফল হনুমান॥
যে ব্যক্তি হৃদয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস রেখে, শ্রী হনুমানের শরণাগত হয়ে ধ্যানমগ্ন হয়ে পাঠ করে—হনুমানজী তার জীবনের সমস্ত সংকট দূর করেন এবং সর্বকার্য সফল করেন।

বজরং বাণের ইতিহাস ও গুরুত্ব (Bajrang Baan History)

সনাতন হিন্দু ধর্মে বজরং বাণ (Bajrang Baan) অত্যন্ত তেজস্বী এবং সিদ্ধ একটি স্তোত্র। গোস্বামী তুলসীদাস কর্তৃক রচিত এই পাঠে শ্রীরামচন্দ্রের দোহাই বা শপথ প্রয়োগ করা হয়। কথিত আছে যে, যখন সাধক বা ভক্ত জীবনের ঘোর বিপদে পড়েন এবং সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে যায়, তখন হনুমানজীর কৃপা অবধারিতভাবে পাওয়ার জন্য বজরং বাণ পাঠ করা হয়।

বজরং বাণ পাঠের নিয়ম ও সাবধানতা (Rules to Recite Bajrang Baan)

বজরং বাণ অত্যন্ত প্রভাবাশালী ও শক্তিশালী হওয়ায় এটি পাঠের ক্ষেত্রে কিছু শুভ নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি:

অন্যান্য দেব-দেবী দর্শন

শিব

শিব

32 টি ভক্তি নিবন্ধ

দেবাধিদেব মহাদেব শিবের মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, স্তোত্র, ব্রত ও আরাধনার নিয়ম।

পড়ুন ও জানুন
মা দুর্গা

মা দুর্গা

28 টি ভক্তি নিবন্ধ

দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গার মন্ত্র, মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্র ও চণ্ডী পাঠের মাহাত্ম্য।

পড়ুন ও জানুন
মা লক্ষ্মী

মা লক্ষ্মী

20 টি ভক্তি নিবন্ধ

ধন, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মীর ব্রতকথা, মন্ত্র ও আরতি।

পড়ুন ও জানুন
গণেশ

গণেশ

25 টি ভক্তি নিবন্ধ

সিদ্ধিদাতা ও বিঘ্নহর্তা গণপতির আরাধনা, গণেশ স্তোত্র ও সিদ্ধিমন্ত্র।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী কৃষ্ণ

শ্রী কৃষ্ণ

30 টি ভক্তি নিবন্ধ

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাণী, কৃষ্ণাষ্টকম ও মধুর স্মারকাবলী।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী রাম

শ্রী রাম

18 টি ভক্তি নিবন্ধ

মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামের রামরক্ষা স্তোত্র, রামচন্দ্র আরতি ও জীবনকথা।

পড়ুন ও জানুন
মা কালী

মা কালী

22 টি ভক্তি নিবন্ধ

কালীপুজো, আদ্যাস্তোত্র, শ্যামাসঙ্গীত ও মা কালীর সিদ্ধ বীজমন্ত্রাবলী।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী বিষ্ণু

শ্রী বিষ্ণু

19 টি ভক্তি নিবন্ধ

বিষ্ণু সহস্রনাম, সত্যনারায়ণ ব্রতকথা ও শ্রী হরির সহস্র অবতার কথা।

পড়ুন ও জানুন
মা সরস্বতী

মা সরস্বতী

15 টি ভক্তি নিবন্ধ

বিদ্যা, জ্ঞান ও চারুকলার দেবী মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি ও স্তোত্র।

পড়ুন ও জানুন
শনি দেব

শনি দেব

21 টি ভক্তি নিবন্ধ

শনিদেবের সাড়ে সাতি প্রতিকার, শনি চালিশা ও শনি স্তোত্রাবলী।

পড়ুন ও জানুন
সূর্য দেব

সূর্য দেব

14 টি ভক্তি নিবন্ধ

আদিত্য হৃদয় স্তোত্র, সূর্য অর্ঘ্য দান বিধি ও গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ।

পড়ুন ও জানুন
সাই বাবা

সাই বাবা

16 টি ভক্তি নিবন্ধ

শিরডির সাই বাবার কাকড় আরতি, মন্ত্র ও শ্রদ্ধা-সবুরি বাণী।

পড়ুন ও জানুন
জগন্নাথ

জগন্নাথ

17 টি ভক্তি নিবন্ধ

রথযাত্রা, পুরীর জগন্নাথ ধাম, জগন্নাথাষ্টকম ও মহাপ্রসাদ মাহাত্ম্য।

পড়ুন ও জানুন
নবগ্রহ

নবগ্রহ

26 টি ভক্তি নিবন্ধ

রবি থেকে কেতু-৯টি গ্রহের বীজমন্ত্র, নবগ্রহ পীড়াহর স্তোত্র ও প্রতিকার।

পড়ুন ও জানুন

আজকের জনপ্রিয় ভক্তি পাঠ (Popular Today)

সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (FAQ)

ইন্ডিয়াহুড ধর্ম বিভাগে কী কী ভক্তিমালা ও তথ্য পাওয়া যায়?
ইন্ডিয়াহুডের ধর্ম বিভাগে আপনি সনাতন ধর্মের বিভিন্ন দেব-দেবী (যেমন শ্রী হনুমান, শিব, মা দুর্গা, শ্রীকৃষ্ণ, মা লক্ষ্মী ইত্যাদি)-র অমোঘ মন্ত্র, চালিশা, আরতি, স্তোত্র, সহস্রনাম, মন্দির গাইড এবং শুভ উৎসব-ব্রতের পূর্ণ বিবরণ বাংলায় পাবেন।
হনুমান চালিশা ও অন্যান্য চালিশা পাঠ করার সঠিক সময় কখন?
যে কোনো চালিশা বা স্তোত্র সকালে স্নান সেরে শুভ্রবস্ত্রে প্রদীপ জ্বালিয়ে অথবা সন্ধ্যায় আরতির সময়ে পাঠ করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তবে হনুমান চালিশা রাতে ঘুমানোর পূর্বে পাঠ করলেও মানসিক শান্তি মিলবে।
প্রতিদিনের জপের জন্য কোন কোন দেব-দেবীর মন্ত্র সবচেয়ে শুভ?
নিত্য জপের জন্য গায়ত্রী মন্ত্র, শিবের ওঁ নমঃ শিবায়, হনুমানজির বীজমন্ত্র এবং শ্রীকৃষ্ণের মহামন্ত্র সর্বোত্তম। আপনার ইস্ট দেবতার মন্ত্র নিষ্ঠার সাথে নিয়মিত জপ করা উচিত।
বিশেষ দেব-দেবীর নতুন কোনো চালিশা বা মন্ত্র কীভাবে খুঁজবেন?
আমাদের সার্চবারে আপনার পছন্দের দেব-দেবী অথবা মন্ত্রের নাম (যেমন: "হনুমান", "শিব", "দুর্গা") লিখে সার্চ করলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় পৌঁছে যেতে পারবেন।

সম্পর্কিত বিষয়াবলি (Related Articles)