এবারে বাংলায় হতে চলেছে “ঐতিহাসিক ভোট”, – যা আজীবন মনে রাখবে সারা বাংলা। কারণ এবারে আর কেবল বুথে বুথে ক্যামেরা নয়, বডি ক্যামের সাথে ড্রোণ দিয়ে হবে বাংলার নির্বাচন! এবারের ভোটে বাংলার পুলিশ নয়, দাপাদাপি করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী! এবার আর চলবে না গুড়-বাতাসার খেলা, খেলা দেখাবে কেবল নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)! ভোটের ফল যাই হোক, যেই জিতুক – এক নতুন ইতিহাস হতে চলেছে বাংলার ভোটে!
হয়তো এই কথাগুলো শুনে অবাক হচ্ছেন, কিন্তু ভোট ঘোষণার পর গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন নিয়ে নিল এমন কিছু সিদ্ধান্ত, যা এবার ঘুরিয়ে দিতে পারে বাংলায় ভোটের ফলাফল। একটি নয়, দুটি নয় – একসাথে বড় চারটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল কমিশন। অবস্থা এমন যে এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
আজ India Hood ডিকোডে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো নির্বাচন কমিশনের এমন কিছু কৌশল – যা বদলে দেবে গোটা বাংলার ভোটকে! যা এতদিন ধরে না আপনি দেখেছেন, না আপনি পড়েছেন! তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
ভোট ঘোষণায় চমক!
দিনটা ২০২৬-এর ১৫ই মার্চ। বিকেল ৪টের সময়ে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
আর প্রথম চমক ছিল ভোটের দফা নিয়েই। কারণ, ২৫ বছর পর ফের বাংলায় ভোটের দফা কমানো হল অনেকটাই। শেষবার ২০০১ সালে বাংলায় ভোট হয়েছিল এক দফায়, আর ২০২৬-এ তা করা হল দুই দফায়। যার ফলে অনেকেই মনে করছেন এই একটা সিদ্ধান্তেই এবার ভোটে হিংসা কমে যাবে অনেকটাই।
তবে এছাড়াও, নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই নিয়ে নিয়েছে এমন কিছু সিদ্ধান্ত যা মহা বিপদে ফেলতে পারে রাজ্যের শাসক দলকে। চলুন এক এক করে এবার জেনে নেওয়া যাক সেগুলোই –
শীর্ষ কর্তায় বদল!
১৫ই মার্চ, রাজ্যে শুধু কিন্তু ভোটের নির্ঘণ্টই ঘোষণা হয়নি। গভীর রাতে, করা হয় রাজ্যের একাধিক শীর্ষ আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের বদল। মুখ্যসচিব থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্যের ডিজি থেকে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও!
আগে রাজ্যের মুখ্যসচিব ছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তী – এবার তাঁর জায়গায় আনা হয়েছে দুশ্যন্ত নারিয়ালাকে।
আগে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন জগদীশপ্রসাদ মীনা – এবার তাঁর জায়গায় আনা হয়েছে সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে।
রাজ্যের ডিজিপি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পীযূষ পাণ্ডেকে। তাঁর জায়গায় নতুন ডিজিপি করা হয় সিদ্ধনাথ গুপ্তকে।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হয় সুপ্রতিম সরকারকে, আর সেই জায়গায় আনা হয় আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে।
আইনশৃঙ্খলা বিভাগের এডিজি পদ থেকেও সরানো হয় বিনীত গোয়েলকে, আর সেই জায়গায় নতুন এডিজি করা হয় অজয় মুকুন্দ রানাডেকে। আর কারা বিভাগের ডিজি করা হয় নটরাজন রমেশ বাবুকে।
এছাড়াও, সরানো হয় কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। সেই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় ইয়েলওয়াড় শ্রীকান্ত জগন্নাথ রাও-কে।
এছাড়া চার পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার, এডিজি পদমর্যাদার দু’জন কর্তাকেও সরায় কমিশন।
এরই সাথে রাজ্যের ১২ জেলার পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় কমিশন। সেই তালিকায় রয়েছেন বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর, বারাসত, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, হুগলি (গ্রামীণ), ইসলামপুর, বসিরহাটের পুলিশ সুপার।
পাশাপাশি নির্দেশিকায় বলা হয় – যাদের সরানো হয়েছে, ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আর কোনও ভোট সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। আর শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এরপর আক্রমণ শুরু করে তৃণমূল! ইগো স্যাটিসফাই করেন মুখ্যমন্ত্রী!
হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কারণ তৃণমূল, কমিশনের এই পদক্ষেপকে “বিজেপির হয়ে কাজ করা” বলে অভিহিত করে। এমনকি কেন বদলি করা হল সেই নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে একটি চিঠি লেখেন মুখ্যমন্ত্রী! পাশাপাশি তিনি নির্বাচন কমিশনকে মনে করিয়ে দেন নিয়মের কথা। তিনি বলেন – “আগে নিয়ম ছিল, স্টেট গভর্নমেন্টের কাছে লিস্ট চাওয়ার। আমরা তিনটে করে নাম পাঠাতাম। তার পর ওঁরা সিলেক্ট করতেন।’’ কিন্তু, India Hood-এর প্রশ্ন হল, যে সরকারকে বারংবার SIR করার জন্য যোগ্য আধিকারিকদের চাওয়া হয়, এবং তারা প্রত্যেকবারই সেই প্রক্রিয়ায় দেরী করানোর জন্য কম যোগ্য লোকেদের নাম সুপারিশ করে তাদের কী নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত? আমাদের জানা নেই। যদি আপনাদের জানা থাকে, তাহলে ভিডিওটি পজ করুন – আর জানান আপনার মতামত কমেন্ট করে।
তবে, মুখ্যমন্ত্রী এখানেই থামেননি। নিজের ইগো স্যাটিসফাই করার জন্য, তিনি অপসারণ করা অফিসারদের নতুন পদে বসিয়ে দেন। যেমন – কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে করা হয় রাজ্যের সিআইডি বিভাগের এডিজি এবং তাঁকে দেওয়া হয় কলকাতা পুলিশের আইবি বিভাগের এডিজি-র অতিরিক্ত দায়িত্ব।
বিনীত গোয়েলকে করা হয় রাজ্য সরকারের আইবি-র ডিজি। পীযূষ পাণ্ডেকে দেওয়া হয় নিরাপত্তা অধিকর্তা-র ডিজি-র দায়িত্ব।
এবার আমরা জানবো – সত্যিই কী এই আধিকারিকরা নির্দোষ ছিলেন?
একদমই না।
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ – তিনি নাকি SIR চলাকালীন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করেছেন। তিনি রাজ্যপালকে নবান্ন সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন, এমনকি রাজ্যপালের প্রধান সচিব থাকাকালীন কাজে গাফিলতি করেছেন।
রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি পীযূষ পাণ্ডের বিরুদ্ধে আড়িয়াদহ কাণ্ডে নিস্ক্রিয়তা এবং আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে রিপাবলিক বাংলার রিপোর্টে।
বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে অভয়া কাণ্ডে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার, তদন্তে গাফিলতির, অভয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করার। এমনকি রাজ্যপালের ওপর পুলিশ দিয়ে নজরদারি করারও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এবং কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের বিরুদ্ধে তৃনমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে।
এবার প্রশ্ন – শুধু কি বাংলাতেই এই বিশেষ রদবদল করেছে কমিশন?
উত্তরটা হল না। বাংলার সাথে আসামেও ভোট ঘোষণা করা হয়েছে। আর আমরা জানি, সেখানে ইতিমধ্যেই রয়েছে বিজেপির সরকার।
কিন্তু, তাও সেখানে ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে নির্বাচন কমিশন ৫ জন জেলা নির্বাচন আধিকারিক অর্থাৎ DEO, ৫ জন পুলিশ সুপার অর্থাৎ SP-দের বদলি করেছে। এমনকি SSP র্যাঙ্কের ৫ জন সিনিয়র পুলিশ অফিসারকেও সরানো হয়েছে।
পুলিশ অফিসার বদল!
কেবল শীর্ষ কর্তাদের সরানো হয়েছে তা কিন্তু নয়, বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় অফিসারদেরও সরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে! কারণ ১৫ই মার্চ ভোট ঘোষণার পর রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডের কাছে একটি বিশেষ তালিকা চায় নির্বাচন কমিশন। বলা হয় – ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় এবং ফল ঘোষণার পর রাজ্যের নানা প্রান্তে অশান্তির ঘটনা ঘটে। সেই সময় হিংসাকবলিত এলাকার থানাগুলিতে কারা ওসি ছিলেন, সেই তালিকা চাওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, সেই তালিকা নিয়ে কী করা হবে সেটা কিন্তু আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এর সাথেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। সব ভোট কর্মী ও পুলিশকর্মীদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে। যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে।
ওয়েবক্যামে অনিয়ম, তাই ভরসা বডিক্যামে!
২০২১ সালের বিধানসভা ভোট এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে ব্যবহার হওয়া ওয়েব ক্যামেরার রেকর্ডিং খতিয়ে দেখার সময়ে এক অদ্ভুত বিষয় চোখে পড়ে নির্বাচন কমিশনের। দেখা যায়, প্রায় ৩০ শতাংশ ক্যামেরার কোনও রেকর্ডিংই নেই। আরও প্রায় ৩০ শতাংশ ক্যামেরায় ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর আধ ঘণ্টা এবং শেষের আধ ঘণ্টার মতো ফুটেজ রয়েছে। কিন্তু, ভোটগ্রহণ পর্বের বাকি সময়ের কোনও রেকর্ডিং নেই। সবথেকে বড় ব্যাপার এর মধ্যে অনেক ক্যামেরা আবার এমন এমন বুথে বসানো হয়েছিল, যেগুলি ছিল সবথেকে বেশি স্পর্শকাতর। আর এই ক্যামেরার টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের সংস্থাকে।
ফলত কিছু বুথে ভোটগ্রহণের দিন অশান্তির অভিযোগ উঠলেও, পর্যাপ্ত ফুটেজ না থাকায় ওই অভিযোগগুলি যাচাই করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
তাই এবারে আর ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। নতুন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য টেন্ডার ডাকা হয় কমিশনের তরফ থেকে। এখনও পর্যন্ত যা রিপোর্ট, ওই টেন্ডারের মাধ্যমে বাইরের রাজ্যের তিন সংস্থাকে বেছে নিয়েছে কমিশন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভিনরাজ্যের ওই তিন সংস্থাই ওয়েবক্যাম সরবরাহ করবে।
শুধু তাই নয়, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের ভিতরে এবং বাইরে – উভয় জায়গাতেই ওয়েবক্যাম বসানো হবে। বিশেষ করে ‘স্পর্শকাতর’ এলাকাগুলিতে এই নজরদারি আরও জোরদার করার টার্গেট রয়েছে।
এছাড়াও, ওয়েবক্যামেরার সাথে সাথে এ বারের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ‘বডি ক্যামেরা’ দেওয়া হবে।
CRPF-দের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব!
বাংলার নির্বাচন কমিশনের আগে, CRPF-দের সুপার সিআরপিএফ হওয়ার নিদান দিল নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দিল – তাদের নিতে হবে অতিরক্ত দায়িত্ব। যদি বুথের মধ্যে কোনও ধরনের গন্ডগোল হয়, তার জন্য CRPF -কেই দায়ী করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয় কমিশন। এমনকি CRPF-রা কোনও রকম সুবিধা নিলে সরাসরি তদন্ত এবং দোষ প্রমাণিত হলে নিশ্চিত শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ, আগের ভোটে CRPF-দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে, এবং সেই কারণে তাদের শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। তাই এবার আগে থেকেই সমস্ত দিক বিবেচনা করে মাঠে নামতে চাইছে কমিশন।
এছাড়াও, এবার ভোটে কত বাহিনী দেওয়া হবে সেই নিয়েও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার। তিনি জানান, প্রত্যেক দফার জন্য ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন হতে পারে।
অর্থাৎ, প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্রের জন্য প্রায় ১৬ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাদ পড়লেন না জেলাশাসক, পুর কমিশনাররাও!
১৮ই মার্চ, রাজ্যের ১১টি জেলার জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ ডিইও-কে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়াও, কলকাতার দুই ডিইও-কেও সরিয়ে দেওয়া হল। সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্যের ৫ জন ডিআইজি-কেও। এমনকি কলকাতার পুর কমিশনার তহা ডিইও এবং দক্ষিণ কলকাতার ডিইও-কেও অপসারণ কড়া হয়। এদের ক্ষেত্রেও, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না-হওয়া পর্যন্ত ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে নিযুক্ত না করার নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
এছাড়াও, কমিশন কিছু ছোটখাটো নির্দেশনা দিয়েছে, যেমন –
১। প্রত্যেকটি আসনের জন্য একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক অর্থাৎ ২৯৪ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে।
২। ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট বুথে করাতে হবে পুনরায় ভোট।
৩। বুথে ৩৬০ ডিগ্রি ওয়েব কাস্টিং প্রয়োজন, তার জন্য দরকার পড়লে ড্রোনে চালানো হবে নজরদারি।
৪। ৮৫ বছরের বেশি বয়সীরা বাড়িতে বসেই ভোট দিতে পারবেন। সেই জন্য পূরণ করতে হবে ১২ডি ফর্ম।
৫। এবার রাজনৈতিক দল নয়, BLO-রা বাড়ি বাড়ি ভোটের স্লিপ দেবেন।
অর্থাৎ একদিকে তৃণমূল বলছে – খেলা হবে। কিন্তু, কমিশন আবার খেলা শুরু করে দিয়েছে। এই নিয়ে আপনাদের কী মতামত? বাংলায় আপনারা নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপগুলোকে কি সমর্থন করছেন? জানাতে ভুলবেন না কমেন্ট করে।












