ছত্তিশগড়ে IED বিস্ফোরণে শহীদ সেনাবাহিনীর ৩ জওয়ান

Published:

Chhattisgarh IED Blast

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ছত্তিশগড়কে মাওবাদী মুক্ত ঘোষণা করার ঠিক এক মাসের মধ্যেই রক্ত ঝরল বস্তার অঞ্চলে। কাঙ্কের জেলায় মাওবাদীদের পেতে রাখা আইইডি নিস্ক্রিয় করতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শহীদ হলেন সেনাবাহিনীর তিন জওয়ান (Chhattisgarh IED Blast)। এমনকি মৃতদের মধ্যে রয়েছেন একজন ডিআরজি ইনচার্জও। কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা?

ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করার সময়ই বিপর্যয়

বক্সার রেঞ্জের আইজি সুন্দররাজ পত্তিলিংগম জানাচ্ছেন, সম্প্রতি বেশ কয়েকজন মাওবাদী প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। তবে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জানা যায় যে, বস্তার রেঞ্জের জঙ্গলে শত শত আইইডি লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সেই মাইনগুলোকে খুঁজে বের করে নিষ্ক্রিয় করার জন্যই ডিআরজি এবং স্থানীয় পুলিশের একটি যৌথ দল তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল। তবে দুর্ভাগ্যবশত ছোটবেঠিয়া থানা এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় একটি শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণ হয়।

বিস্ফোরণে গুরুতরক আহত চারজন জাওয়ানকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসা তিনজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন। শহীদ জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন ডিআরজি ইনচার্জ সুখরাম ভাট্টি, কনস্টেবল কৃষ্ণ কোমরা এবং আরেক কনস্টেবল সঞ্জয় গঢ়পালে। বর্তমানে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কনস্টেবল পরমানন্দ কোমরা।

আরও পড়ুন: গ্রাহক পিছু আয় বাড়ল ৪২ শতাংশ, Jio-Airtel-র সাথে পাল্লা দিয়ে বড় লাফ BSNL-র

উল্লেখ না করলেই নয়, গত ৩১ মার্চ ছত্তিশগড় রাজ্যকে সশস্ত্র মাওবাদী মুক্ত বলে ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, রাজ্যে নকশাল তৎপরতা সম্পূর্ণ শেষ। তবে সেই ঘোষণার ঠিক একমাস পরেই ফের জওয়ানদের শহীদ হওয়ার ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও বড় প্রশ্ন তুলল। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, মাওবাদীরা এলাকা ছেড়ে পালালেও জঙ্গলের ভেতরে অসংখ্য ল্যান্ডমাইন বা বারুদ হয়তো পুঁতে রেখে গিয়েছে। আর এটাই এখন নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের জন্য সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।