বাড়ি থেকে গ্রেফতার অভিজিৎ দীপকে, এবার কি তিহার জেলে জায়গা হবে সিজেপি প্রধানের?

Published:

Abhijeet Dipke

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে ‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই বাড়ি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। তবে দিল্লি পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৬ এবং ১৭০ ধারায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শনিবার এক বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় সভাপতি নেহা বোরা আজ সকালে দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারার অধীনে মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু অভিজিতের কি জায়গা হবে তিহার জেলে?

তিহার জেলে যাচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে?

যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদ কর্মসূচির স্থানের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর সেই নিয়ম তোয়াক্কা না করে জাতীয় পতাকা হাতে সেখানে ঢোকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় আশুতোষ রঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে। আদালত তাঁদের ৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আপাতত তিহার জেলেই রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের আটকের প্রতিবাদেই শুক্রবার এই ‘তিরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই গ্রেফতার হন সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

সেই সূত্রে এবার প্রশ্ন উঠছে, সৌরভ এবং আশুতোষের মতো কি অভিজিতের জায়গা হবে তিহার জেলে? যদিও দীপকের মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন। প্রসঙ্গত, গতকাল অভিজিতের গ্রেফতারির পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করা হয়। দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গতকাল একের পর এক বিক্ষোভকারীকে হাজতে ঢোকায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: নিমতলা শ্মশানে তোলাবাজির অভিযোগ! পার্কিংয়ের নামে নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা, ভাইরাল ভিডিও

যদিও অভিজিৎকে আটক করার পর ককরোচ জনতা পার্টি তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এমনকি তিনি কোথায় রয়েছেন তাও এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। সিজেপির অভিযোগ, অভিজিতের পরিবার, আইনজীবী এবং দলের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিএনএসএস-এর ১২৬/১৭০ ধারায় অভিজিতের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে আজই আদালতে হাজির করানো হবে। তবে আজ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরা দেওয়ার সময় প্রশ্ন উঠতে পারে, তাঁর আগের মুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে কিনা, এমনকি পুলিশের নতুন পদক্ষেপের পিছনে কী তথ্য রয়েছে বা আইন অনুযায়ী কী আদেশ দেওয়া উচিত। আদালত যদি বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেয়, তাহলে হয়ত তাঁকেও তিহার জেলে যেতে হতে পারে।

google button