চিন, পাকিস্তানের ঘুম উড়বে! সীমান্তে বাজ ব্যাটেলিয়ান মোতায়েন করছে ভারতীয় সেনা

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভবিষ্যতের আধুনিক যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে শত্রুদের মোকাবিলা করতে আগেভাগে ঘর গুছিয়ে রাখছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। মূলত শত্রুপক্ষকে টাইট দিতে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ নজর দিয়েছে ভারত। সেই সূত্রেই এবার আকাশ পথে নজরদারি চালাতে এবং ড্রোনযুদ্ধে নিজেদের শক্তি বাড়াতে বিশেষ বাজ ব্যাটালিয়ন তৈরি করছে ভারতীয় সেনা। এই বিশেষ ব্যাটেলিয়ান সেনাবাহিনীর ফ্রন্টলাইন ইউনিটগুলিকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য সব রকম তথ্য এবং সরঞ্জাম দিয়ে সাহায্য করবে।

বাজ ব্যাটেলিয়ান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভারতীয় সেনার বাজ ব্যাটেলিয়ানের প্রধান কাজ হল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং সংবেদনশীল সীমান্ত বরাবর আকাশপথে নজরদারি জোরদার করা। এছাড়াও ভবিষ্যতের ড্রোন যুদ্ধের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পুরোপুরি প্রস্তুত করাও এই ব্যাটেলিয়ানের কাজ। এছাড়াও ভারতীয় সেনার এই অংশ ভারতের গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে উন্নত করার দায়িত্বও পালন করে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সেনার এই ব্যাটেলিয়ানকে আর্মি এভিয়েশন কোরের অধীনে রাখা হয়ে থাকে। এই বিশেষ ব্যাটেলিয়ান মূলত বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কর্মীদের একটি দল নিয়ে গঠিত। যাঁরা রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম পরিচালনা করে থাকে। আসলে আরপিএ হলো এক ধরনের মানুষ বিহীন ড্রোন যা পাইলটের সাহায্যে ছাড়াই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গিয়ে নজরদারি চালাতে পারে। আর এই ড্রোনের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে ভারতীয় সেনার এই বিশেষ ব্যাটেলিয়ান।

অবশ্যই পড়ুন: হাতে আর ৭ দিন, টোটো শূন্য হবে জাতীয় সড়ক! বড় পদক্ষেপ ট্রাফিক পুলিশের

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে গোটা বিশ্বজুড়ে ঘটে চলা নানান সংঘাত আধুনিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। সেইসব যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে নানান উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন। এবার সেইসব যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েই ভবিষ্যতের আধুনিক যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি তৈরি থাকতে চাইছে ভারত। ঠিক সে কারণে এই বিশেষ বাজ ব্যাটেলিয়ান আকাশপথে ড্রোনের গতিবিধিতে নজর রাখার পাশাপাশি বিমান ব্যবস্থা পরিচালনা করবে। তাতে ঘুম উড়বে চিন, পাকিস্তানের মতো শত্রুদের!

এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিদায়ী সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দিবেদী জানিয়েছিলেন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফটের উপর ভিত্তি করে নতুন বাজ ব্যাটেলিয়ান তৈরি করা হবে। এদিন ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, “দু’বছর আগে ভারতের কাছে কয়েকশো ড্রোন ছিল। এখন সেই সংখ্যাটা 50 হাজারের বেশি। আগামী দু-তিন বছরে সেটা দ্বিগুণ হবে।”