জলের ওপর ভাসবে বিমানবন্দর! তৈরি হচ্ছে ভারতের প্রথম ফ্লোটিং এয়ারপোর্ট

Published:

Floating Airport Maharashtra

অনন্যা সরকার, মহারাষ্ট্র: প্রতিদিন বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজগুলি হাজার হাজার মাইল দূরে পাড়ি জমায়। লক্ষ লক্ষ যাত্রীকে ভাসমান বিমান গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। কিন্তু যদি বিমানবন্দরও হয় ভাসমান (Floating Airport), তাহলে কেমন হয়? আকাশে নয়, ভাসবে জলে। এমনটা বাস্তব হচ্ছে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)। দেশের প্রথম ভাসমান বিমানবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে প্রস্তাবিত বিমানবন্দরটির নির্মাণকার্যের জন্য একটি রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিমানবন্দরের সাথে ‘উত্তন-ভিরার সি-লিংক’-কে সংযুক্ত করা হবে বলেও জানা গেছে। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। সাধারণ বিমানবন্দরের থেকে কতটা আলাদা হবে এই ভাসমান বিমানবন্দর? কী কী সুবিধা মিলবে? আসুন জেনে নিই। 

মহারাষ্ট্রে তৈরি হচ্ছে ফ্লোটিং বিমানবন্দর 

সমুদ্রের উপর কৃত্রিম দ্বীপ বানিয়ে তার ওপরে বিমানবন্দর তৈরি করা হয়, একেই ফ্লোটিং এয়ারপোর্ট বলে। এই কনসেপ্ট বিশ্বে নতুন নয়। ইতিমধ্যেই জাপান, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে বাস্তবায়িত হয়েছে ভাসমান বিমানবন্দর, যা থেকে এখন সুফল পাচ্ছে দেশগুলি। আসলে বিমানবন্দর তৈরি করতে অনেক জমির প্রয়োজন হয়, যা জনবহুল জায়গায় পাওয়া মুশকিল। এই পরিস্থিতিতে ভাসমান বিমানবন্দর হয়ে ওঠে আদর্শ বিকল্প। এই প্রকল্পটি দ্রুতগতির রেল, ভাধাবন বন্দর, আধুনিক হাইওয়ের সাথে যুক্ত হয়ে মুম্বই মেট্রোপলিটনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে বদলে দেবে বলে বিশ্বাস সরকারের। 

আরও পড়ুনঃ জালে পড়ল বিশাল ‘রাজা ইলিশ, নিলামে কত দর উঠল?

কিভাবে হবে অর্থনীতি চাঙ্গা? 

মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পালাঘর জেলার কোরে বিচের কাছে তৈরি হবে প্রস্তাবিত ভাসমান বিমানবন্দরটি। প্রতিবছর প্রায় ৯ কোটি মানুষ এই এয়ারপোর্ট থেকে সুবিধা পাবেন। ভাধাবন সমুদ্র বন্দর ও কানেক্টিং এক্সপ্রেসওয়েটিও এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর এবং  সংযোগকারী এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করে মুম্বাইয়ের সামগ্রিক পরিকাঠামোর উন্নতি করার লক্ষ্যে রয়েছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নিঃসন্দেহে দেশের অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে।