দিঘায় লোকাল ট্রেনে পাথর ছুঁড়ে ভিডিও, রেলের পদক্ষেপের ভয়ে চাইল ক্ষমা

Published:

Stone Pelting on Train

অনন্যা সরকার, মহারাষ্ট্র: এদেশে চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার (Stone Pelting on Train) প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুতর নিরাপত্তাজনিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে প্রতিবছরই জানলার কাঁচ ভাঙা থেকে শুরু করে যাত্রীদের আহত হওয়া এমনকি মৃত্যুর মতো ঘটনায়ও শোনা গেছে। সম্প্রতি নাভি মুম্বাইয়ের দিঘা এলাকায় একটি লোকাল ট্রেন লক্ষ্য করে এক যুবককে পাথর ছুঁড়তে দেখা গেছে। এই ঘটনার ভিডিও (Viral Video) সামনে আসতেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা আবার প্রকাশ্যে

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে এক যুবক চলন্ত লোকাল ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছেন। যাত্রী বোঝাই করা ওই ট্রেনটির দরজার সামনেও অনেক যাত্রী দাঁড়িয়েছিলেন। পাথরটি ছোঁড়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কুরুচিকর অঙ্গভঙ্গিও করতে দেখা গেছে তাঁকে। জানা গেছে যুবকটির নাম অজয় শিন্ডে। এই ধরনের আচরণ শুধু বিপজ্জনকই নয়, ট্রেনযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্যও  বড় হুমকি। পাথরটি যেকোনো যাত্রীর গায়ে লেগে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারতো।

আরও পড়ুন: ফের ঘনাচ্ছে দুর্যোগের কালো মেঘ, ২ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আজকের আবহাওয়া

এমনকি অজয় শিন্ডের তরফ থেকেই ওই ভিডিওটি রেকর্ড করা হচ্ছিল, তা স্পষ্ট। পাথর ছোঁড়ার পর ক্যামেরার দিকে ফিরেই তাঁকে উল্লাস করতে দেখা যায়। অথচ রেললাইনের কাছে এই ধরনের কাজকে গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। যদিও ওই তরুণের বেপরোয়া হাবভাব দেখে মনে হচ্ছিল না যে, তিনি যে একটি বড়সড় অপরাধ করছেন সেবিষয়ে তাঁর কোনও উপলব্ধি আছে। খেলায় জিতলে যেমন মানুষ উচ্ছ্বসিত হয়, তেমনভাবেই তাঁকেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। এমনকি ট্রেনের দিকে ফিরে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে কুরুচিকর অঙ্গভঙ্গিও করেন অজয়। 

আরও পড়ুন: এবার বিদেশে রপ্তানি হবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, প্রস্তুতি রেলের

 

View this post on Instagram

 

A post shared by RVCJ Media (@rvcjinsta)

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই নেট নাগরিকরা এর তীব্র সমালোচনা করেন এবং রেলওয়ে পুলিশের তরফেও ওই যুবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এতেই ভয় পেয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চেয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন অজয় শিন্ডে। বলেন তিনি এটা শুধু মজার জন্যই করেছেন, কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। তবে এই ধরনের ‘মজা’ যে কত বড় অপরাধ, সেবিষয়ে নাবালক ও তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি না করা হলে এমন ঘটনা চলতেই থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে।