বিশ্বের বসবাসের জন্য সেরা শহরগুলোর র্যাঙ্কিং প্রকাশ করলো ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (EEU)। নতুন ‘গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’ (Global Liveability Index 2026) রিপোর্টে সুযোগ-সুবিধা এবং জীবনযাত্রার বিভিন্ন মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের ১৭৩টি শহরকে মূল্যায়ন করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ভারতের চারটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। তবে নেই কলকাতা। এদেশের শহরগুলোর মধ্যে নয়াদিল্লি ১২০তম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের সেরা এবং সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় ডেনমার্কের, কোপেনহেগেন প্রথম স্থান দখল করে নিয়েছে। দ্য ইকোনমিস্ট (The Economist) পত্রিকার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইআইইউ ১৭৩টি শহরকে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিকাঠামো এবং সংস্কৃতির মতো বিভিন্ন মাপকাঠি দিয়ে বিচার করে এই র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে।
ভারতীয় শহরগুলোর র্যাঙ্কিং?
গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬ অনুসারে, ভারতের ৪ টি প্রধান শহর এই ১৭৩টি শহরের তালিকায় রয়েছে। তার মধ্যে নয়াদিল্লি রয়েছে ১২০তম স্থানে, যা ভারতীয় শহরগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর মুম্বাই রয়েছে ১২১তম স্থানে। আর দক্ষিণ ভারতের দুই শহর চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু যথাক্রমে ১২৩ এবং ১২৭ তম স্থানে রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, দেশের রাজধানী নয়াদিল্লি এবং অর্থনৈতিক রাজধানী মুম্বাইয়ের র্যাঙ্কিং অপরিবর্তিতই রয়েছে। দুই শহরই তাদের আগের বছরের স্থান ধরে রেখেছে।
এবার আসা যাক বাসযোগ্যতার নিরিখে বিশ্বের প্রথম দশটি শহরের তালিকায়। গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬ তালিকার প্রথম স্থানটি দখল করে নিয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহর। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা, আর তৃতীয় স্থানটি দখল করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার শহর রয়েছে সিডনি ও সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। আর ষষ্ঠ থেকে দশম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, জাপানের ওসাকা, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, ৯ কানাডার ভ্যাঙ্কুভার এবং জাপানের টোকিও।
আরও পড়ুনঃ সরকারের এই এক সিদ্ধান্তে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড, দাম কমতে পারে সব স্মার্টফোনের
ইইইউ-এর রিপোর্ট অনুসারে, কোপেনহেগেন সাসটেনেবিলিটি, ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং শিক্ষায় পূর্ণমান লাভ করেছে। এছাড়া র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বলা যায়, পশ্চিম ইউরোপ হল বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য অঞ্চল। যদিও এর গড় স্কোর আগের মতোই রয়েছে। অন্যদিকে, এশিয়ার গড় স্কোর বেড়েছে। ২০২৫ সালের তুলনায় চীনের দশটি শহরের র্যাঙ্কিং উপরের দিকে উঠেছে। এছাড়াও, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইরান যুদ্ধ সমগ্র উপসাগরীয় (Gulf) অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রভাব ওই অঞ্চলের শহরগুলির র্যাঙ্কিংয়েও দেখা গেছে।










