সহেলি মিত্র, কলকাতা: বর্ষা (Wet season) ঢুকে পড়েছে বাংলায়। কয়েকদিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গেও বর্ষার পা পড়বে। আর এই বর্ষায় আপনিও কি কোথাও ঘুরতে যাবেন বলে ভাবছেন? কিন্তু কোথায় যাবেন বলে ঠিক করে উঠতে পারছেন না? তাহলে আর চিন্তা করার দরকার নেই। কারণ আজ আপনাদের বাংলার বুকে থাকা এমন এক সুন্দর জায়গার সন্ধান দেব যেখানে আপনি লেক, পাহাড় সব একসঙ্গে পেয়ে যাবেন। করতে পারবেন নৌকাবিহারও। আপনিও কি প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ এবং নিরিবিলি পছন্দ করে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন ঝিলিমিলি (Jhilimili) থেকে।
বর্ষায় যাবেন নাকি ‘দক্ষিণবঙ্গের দার্জিলিং’ ঝিলিমিলি?
অনেকে এই ঝিলিমিলিকে দক্ষিণবঙ্গের দার্জিলিংও বলেন। ঝিলিমিলি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার খাতরা মহকুমার একটি শান্ত পর্যটন কেন্দ্র। জানলে অবাক হবেন, এই জায়গাটি তিন জেলার সীমান্তে অবস্থিত। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমান্তে অবস্থিত হল এই ঝিলিমিলি। জায়গাটি তার ঘন বন, পাহাড়, শাল এবং মহুয়া বনের জন্য বিখ্যাত। এখানে এলে আপনার মনে হতে বাধ্য, প্রকৃতি যেন নিজের সব সৌন্দর্য এখানে উজাড় করে দিয়েছে। জায়গাটিতে প্রকৃতি প্রেমীদের একবার হলেও যাওয়া উচিৎ।
কী কী দেখবেন?
সপ্তাহান্তে ভ্রমণের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় স্থান হয়ে উঠেছে। এখানে আপনি বড় মাইল বন রয়েছে যা উঁচু গাছ শাল, মহুয়া, শিমুল গাছের সমৃদ্ধ। কাংসাবতি নদী সরাসরি এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। হাতে সময় থাকলে ঘুরে দেখতে পারেন সুতান হ্রদ। ঝিলিমিলি রেঞ্জের মধ্যে ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, এই শান্তিপূর্ণ জলাশয় কুমারী বন দ্বারা বেষ্টিত। এখানে রয়েছে অনেক নাম না জানা পাখি , ময়ূর। রয়েছে বিখ্যাত তালবেরিয়া বাঁধ রানিবাঁধ থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গভীর বন এবং উপজাতি গ্রাম দ্বারা বেষ্টিত একটি শান্ত প্রকৃতি পর্যটন এবং পিকনিক স্পট।
কীভাবে যাবেন?
জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ঝিলিমিলি পৌঁছাবেন। সেক্ষেত্রে আগে আপনাকে কলকাতা থেকে ট্রেনে করে বাঁকুড়া তারপর সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়ি বা বাসে করে পৌঁছে যেতে পারবেন নিজের গন্তব্যে। এছাড়াও সড়কপথে কলকাতার এসপ্ল্যানেড থেকে বাঁকুড়া বা সরাসরি ঝিলিমিলি যাওয়ার রাতের বাস পেয়ে যাবেন।










