প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নিজেদের কঠোর পরিশ্রমে অলিম্পিকে পদক জেতা প্রতিটি ক্রীড়াবিদের স্বপ্ন থাকে। সেরার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরতে পারলে অলিম্পিক (Olympic Games) থেকে পাওয়া যায় সোনার পদক। এছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীরা পান যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জের পদক। কিন্তু জানেন কি, অলিম্পিকের স্বর্ণপদক মানেই কিন্তু পুরোপুরি সোনা দিয়ে তৈরি হয় না (GK)। বরং এর মধ্যে রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নিন বিস্তারিত।
খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি হয় না পদক
জানা গিয়েছে, অলিম্পিকের স্বর্ণপদক মূলত রুপো দিয়ে তৈরি হয়। আর তার উপরে দেওয়া থাকে সোনার প্রলেপ। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি অনুসারে, একটি অলিম্পিক স্বর্ণপদক নির্মাণ করতে কমপক্ষে ৯২.৫% খাঁটি রুপো এবং কমপক্ষে ছয় গ্রাম খাঁটি সোনার একটি প্রলেপ থাকতে হবে। মূলত স্বর্ণপদকে চকচকে ভাব আনার জন্য সোনার একটি পাত দেওয়া থাকে। তাই সেক্ষেত্রে বলা যায় অলিম্পিকের রুপোর পদক প্রায় সোনার সমানই হয়। মাত্র তিনবার অলিম্পিক্সেই স্বর্ণপদকের পুরোটাই সোনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।
রুপোর পদকের সমান থাকে সোনা
সূত্রের খবর, প্রাচীন অলিম্পিকের পদক দেওয়ার রীতি আজকের মতো ছিল না। কিন্তু যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে মেলাতে পদক দেওয়ার রীতিও পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম দিকেও পদকের ধরন আলাদা ছিল। ১৯০৪, ১৯০৮ এবং ১৯১২ সালের অলিম্পিকে স্বর্ণপদক মূলত সোনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পদক তৈরির নিয়ম বদলাতে থাকে, এবং পদকে সোনার পরিমাণও কমতে থাকে। সূত্রের খবর, রুপোর পদকে উচ্চ মানের রুপো ব্যবহার করা হয়। তার পরিমাণ ৯২.৫ শতাংশ।
আরও পড়ুন: জানেন কেন রাজমিস্ত্রিরা বাড়ি তৈরির আগে জলের মধ্যে ইট ভিজিয়ে রাখেন?
এছাড়াও ব্রোঞ্জ পদকে রয়েছে ৯৫ শতাংশ তামা ও ৫ শতাংশ দস্তা। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পদককে নির্দিষ্ট আকারে নির্দিষ্ট ওজনে বানাতে হয়। প্রতিবার এই পদক বানানোর জন্য আলাদা খরচ ধার্য করা হয়। তবে পদকের আর্থিক মূল্য যাই হোক না কেন, একজন ক্রীড়াবিদের কাছে এর গুরুত্ব অপরিসীম।










