অভিষেকের পর এবার কল্যাণ, শোভনদেব, কুণালদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট রাজ্য সরকারের

Published:

Government of West Bengal

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের তৃণমূলের নেতাদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছিল শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দপ্তর। আর এবার বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে কুণাল ঘোষ, এমনকি রাজীব কুমারদেরও নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে খবর, তৃণমূলের ১০ নেতা এবং প্রাক্তন মন্ত্রীদের বাড়ির নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তায় কাটছাঁট তৃণমূলের নেতাদের

আসলে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হতেই একের পর এক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমেই ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। তবে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় যাতে কোনও খামতি না হয়, সেদিকে জোর দিতে বলে শুভেন্দু অধিকারী। আসলে এতদিন যাবৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি পুরো নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকত। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি সাধারণ একজন সাংসদ। এত বাড়তি নিরাপত্তা দরকার নেই। যতটুকু সাংসদের প্রাপ্য ততটুকুই পাবেন।

প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া যাচ্ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তৃণমূলের আরও বেশ কিছু সাংসদ বা নেতা-নেত্রীদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হতে পারে। সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল রাজ্য সরকার। এবার একাধিক মন্ত্রী ও সাংসদদের হাউস গার্ড সরিয়েছে লালবাজার। রয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার সহ আরও ১০ জন নেতা। তাঁদের মধ্যে বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক কুণাল ঘোষ, এমনকি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলার অবৈধ মাদ্রাসায় চলবে বুলডোজার, জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর

এর পাশাপাশি বিদায়ী বিধায়কদেরও নিরাপত্তাই কাটছাঁট করা হয়েছে। যেমন চন্দ্রীমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, সুব্রত বক্সীদের নামও সেই তালিকায় রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁরা প্রয়োজনের থেকে বেশি নিরাপত্তা পেত। সেই কারণেই বড়সড় সিদ্ধান্ত। এছাড়া প্রাক্তন মন্ত্রী শশী পাঁজা থেকে শুরু করে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি পীযূষ পান্ডের নিরাপত্তা সরিয়েছে রাজ্য সরকার। লালবাজারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাদের যতটুকু নিরাপত্তা প্রাপ্য ঠিক ততটুকুই পাবে।