সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আগামী দিনে বাংলার সড়ক ব্যবস্থায় আসতে চলেছে নতুন বিপ্লব? আসলে নবান্নের (Nabanna) তরফে এমন এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যার দরুণ এখন সকলের মনে এই একটিই প্রশ্ন উঠছে। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal) NHAI এবং NHIDCL-কে জাতীয় মহাসড়কের সাতটি অংশ হস্তান্তর করার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
৭ জাতীয় সড়ক নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের
অনেকের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক করিডোরগুলিতে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত পরিকাঠামোগত কাজের পথ প্রশস্ত করেছে। একটি সরকারি বিবৃতি অনুসারে, এই অংশগুলি রাজ্যের গণপূর্ত বিভাগ (PWD)-এর জাতীয় মহাসড়ক শাখার অধীনে ছিল এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও এই হস্তান্তরের প্রস্তাবগুলি বছরের পর বছর ধরে অমীমাংসিত ছিল। তবে অবশেষে সেই জট কেটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
মিলল ছাড়পত্র
শনিবার মুখ্য সচিবের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর না হওয়ায় এই অংশগুলিতে উন্নয়নমূলক কাজ আটকে ছিল। আজকের ছাড়পত্রের ফলে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি আর দেরি না করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।” ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া-কে হস্তান্তর করা অংশগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর জঙ্গিপুর, ওমরপুর, কৃষ্ণনগর, বনগাঁ এবং বসিরহাটকে ঘোজাডাঙ্গা পর্যন্ত সংযোগকারী ৩২৯.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় সড়ক-৩১২, বিহার-পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত থেকে গাজোল পর্যন্ত জাতীয় সড়ক-৩১ এবং ফারাক্কা পর্যন্ত জাতীয় সড়ক-৩৩। রাজ্য সরকার জানিয়েছে যে এই সাতটি অংশে পরিকাঠামোগত কাজ সিকিম, ভুটান এবং বাংলাদেশের সাথে সংযোগ জোরদার করবে এবং উত্তরবঙ্গ ও ডুয়ার্সের মধ্যে সংযোগ উন্নত করবে।
আরও পড়ুনঃ আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে কোন কোন চিকিৎসা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে? দেখে রাখুন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন এনএইচ-১০ এর অধীনে সেবক আর্মি ক্যান্টনমেন্ট-করোনেশন ব্রিজ-কালিম্পং-পশ্চিমবঙ্গ-সিকিম সীমান্ত পথ সহ আরও চারটি অংশ ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য করিডোরগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত-ভুটান সীমান্ত পর্যন্ত হাসিমারা-জয়গাঁও অংশ, বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত বড়াদিঘি-ময়নাগুড়ি-চ্যাংড়াবান্ধা পথ এবং শিলিগুড়ি-কার্সিয়ং-দার্জিলিং পাহাড়ি সড়ক।










