সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির পর কলকাতায় জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মিছিলের ডাক দিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মঙ্গলবার নিজে এই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, দিল্লিতে ধরপাকড় এবং পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ মিছিল। এদিকে ঢাকের কাঠি পড়ল বলে। মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। সেই আবহে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)। মিছিল আটকাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বার্তা দিলেন শুভেন্দু।
মমতার কর্মসূচি আটকানোর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে সিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তৈরি হয় ধুন্ধুমার। সিজেপির অভিজিৎদের সাথে বিরোধী দলগুলির একাধিক নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পর্যন্ত প্রিজন ভ্যানে তুলে ডিটেইন করা হয়। সেই প্রতিবাদেই মঙ্গলবার কলকাতায় কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। যদিও অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তবে এ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সোমবার সন্ধ্যাতেই মমতার এই কর্মসূচি নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তবে রাতের দিকে পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে শোনা যায়, “বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি। রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন পড়লে সেন্ট্রাল ফোর্স নামাতে বলব। কিন্তু বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে দেব না। দুর্গাপূজা।”
আরও পড়ুন: বজরংবলীর কৃপায় বাধা-বিপত্তি কাটবে ৫ রাশির! আজকের রাশিফল, ১৩ অক্টোবর
উল্লেখ্য, নির্বাচনে ভরাডুবির পর কলকাতাতেও জনসভার অনুমতি পাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহীদ দিবস এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা করতে পর্যন্ত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয় কালীঘাট তৃণমূলকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই কলকাতায় যে এই কর্মসূচির অনুমতি মিলবে না তা আগে থেকেই আঁচ করা গিয়েছিল। পুলিশকে চিঠি পাঠালেও মেলেনি অনুমতি। এবার মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, প্রয়োজন পড়লে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে আটকানো হবে এই কর্মসূচি।










