যুবভারতীর মাঠ দেখে অসন্তুষ্ট ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা, আদৌ হবে ম্যাচ?

Published:

Kolkata Brazil match

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অক্টোবরেই শহরে আসছে ব্রাজিল ফুটবল দল (Brazil)। তার আগে গতকাল, কলকাতায় এসে যুবভারতীর মাঠ (Saltlake Stadium)এবং প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড পরিদর্শন করলেন ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা। এদিন ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ থেকে শুরু করে IFA সচিব অনির্বাণ দত্ত, জাতীয় দলের ডিরেক্টর সুব্রত পাল, সকলের উপস্থিতিতেই মাঠ পরিদর্শন করেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। তবে ডুরান্ড কাপের কারণে যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডের যা অবস্থা তা দেখে মোটেই সন্তুষ্ট নন তাঁরা। জানিয়ে দিলেন, মাঠের মান উন্নত করতে না পারলে খেলা অসম্ভব!

যুবভারতীতে খেলতে পারবে না ব্রাজিল?

বৃহস্পতিবার শহরে এসেই দুপুরে যুবভারতীর মূল মাঠ এবং প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড পরিদর্শন করতে চলে যায় ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। ভালভাবে ঘুরে দেখেন প্র্যাক্টিস গ্রাউন্ড। দুই মাঠ পরীক্ষার পর কার্যত থমকে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। এরপরই ক্রীড়া মন্ত্রীর অফিসে বৈঠকে বসেন তাঁরা। এদিন ক্রীড়া মন্ত্রীর তরফে একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ভারতের সেরা ফুটবল স্টেডিয়াম যুবভারতীতে ব্রাজিলের প্লেয়ারদের জন্য সব রকম ব্যবস্থা করা হবে।

তবে সূত্রের যা খবর, মাঠের অবস্থা দেখে খুব একটা আশার কথা শোনাতে পারেননি ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। ব্রাজিলের একটি সূত্র বলছে, দেশটির সবচেয়ে দামি ফুটবলারের ট্রান্সফার ফি 50 কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে কলকাতায় খেলতে এসে চোট পেলে সমস্যায় পড়ে যাবে ব্রাজিলের জাতীয় দল। একই সাথে এতে সম্মান নষ্ট হবে ভারতেরও। তবে শোনা যাচ্ছে, ভারত বনাম ব্রাজিলের ম্যাচ যাতে পুরোপুরি সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা যায় সেজন্য ব্রাজিলের টেকনিক্যাল টিমের পরামর্শ মেনেই তৈরি করা হবে যুবভারতীর মূল গ্রাউন্ড।

আরও পড়ুন: কবে, কোথায়, কখন গড়াবে ডুরান্ড কাপ ফাইনাল? ডার্বির টিকিটের দাম কত জানুন

ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, মূল ময়দানের সাথে সাথে প্র্যাক্টিস গ্রাউন্ডের অনেক উন্নতি প্রয়োজন। উন্নত করতে হবে মাঠের সবদিক। তবেই ব্রাজিল দল এখানে এসে খেলতে পারবে। সূত্রের যা খবর, আজ অর্থাৎ শুক্রবার ডুরান্ড কাপের ফাইনাল শেষ হয়ে গেলেই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে যুবভারতী এবং তার প্র্যাকটিস রাউন্ডের দরজা। এদিন রাতে ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা দেশে ফিরে যাওয়ার পর থেকেই কাজ শুরু হবে উভয় মাঠের। অক্টোবরের আগে ম্যাচের জন্য মাঠ পুরোপুরি উপযোগী করে তোলা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। শোনা যাচ্ছে, এর জন্য পিছিয়ে যেতে পারে ইন্ডিয়ান সুপার লিগও।

google button