মিলবে না বর্ধিত DA! সপ্তম পে কমিশন থেকে বাদ প্রায় ১৫ হাজার কর্মী? কারা জানুন

Published:

7th Pay Commission

সহেলি মিত্র, কলকাতা: সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে ধৈর্য শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার সোমবার তার সপ্তম বেতন কমিশনের জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্রের খবর, কমিশন এই পোর্টালে কমিশনের কার্যবিবরণী এবং দাপ্তরিক তথ্য প্রকাশ করবে। যদিও এই সপ্তম পেতন পে কমিশনে কয়েক হাজার কর্মী বাদ পড়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। যার মধ্যে বেশিরভাগই রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (Universities) শিক্ষা কর্মীরা।

সপ্তম বেতন পে কমিশন থেকে বাদ পড়লেন কয়েক হাজার কর্মী

এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal) স্পষ্ট করেছে যে, তারা ভাতা, বেতন ও পেনশন বিষয়ে প্যানেলকে কোনো সুপারিশ করেনি। সপ্তম পে কমিশনের আওতার বাইরে রয়ে গেলেন রাজ্য সরকারি ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ও মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের কর্মীরা। ২৯ জুলাই প্রকাশিত সরকারি তালিকায় তাঁদের নাম নেই। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী বেতন কমিশনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

আরও পড়ুনঃ NPS বন্ধ হয়ে চালু হচ্ছে পুরনো পেনশন স্কিম? জানিয়ে দিল কেন্দ্র

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আধিকারিকরা পে কমিশনের অন্তর্ভুক্ত। কর্মীদের দাবি, ষষ্ঠ পে কমিশনের সময় দীর্ঘ আন্দোলনের পর তাঁদের কমিশনের আওতায় আনা হয়েছিল। এবার ফের বাদ পড়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী ইউনিয়ন অর্থ ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি-প্রভাবিত কর্মী সংগঠনও একই দাবিতে অর্থ দফতরের দ্বারস্থ হয়েছে।

ক্ষুব্ধ কর্মীরা

এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতা শুভেন্দু মুখোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘বাম আমলে কখনওই পে কমিশনে আমাদের অন্তর্ভুক্ত করা হত না। পরে পে কমিটি গঠন করে অনেক আর্থিক সুবিধা কাটছাঁট করে আমাদের বেতনবৃদ্ধির সুপারিশ করা হত। তৃণমূল আমলে, ২০১৫ সালে যখন ষষ্ঠ পে কমিশন গঠিত হয়, তখন পে কমিটির পরিবর্তে সরাসরি পে কমিশনে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানানো হয়েছিল এই কর্মীদের তরফে। ২০১৮ সালে তিনদিন কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে আমরা অনশনও করি। অবশেষে ২০১৯ সালে রাজ্য সরকার দাবি মেনে আমাদের পে কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করে। পে কমিশনে ঢোকার পর কর্মীরা ভেবেছিলেন, এবার থেকে এই পদ্ধতিই চলবে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই সরকারি কর্মীদের ডিএ, পে কমিশন নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবির অবসান ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছে। তাই ফের এভাবে বঞ্চিত হওয়ায় কর্মীরা হতবাক।’