রোপওয়ে থেকে মিনি চিড়িয়াখানা গড়বে রাজ্য সরকার, ভোল বদলাবে বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরের

Published:

Mukutmanipur

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আমূল বদলে যেতে চলেছে বাঁকুড়া (Bankura) জেলা। পর্যটক টানতে বাঁকুড়া জেলাকে নিয়ে বিরাট পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। সরকারের নজরে এখন মূলত রয়েছে মুকুটমণিপুর (Mukutmanipur)। মুকুটমণিপুর…পর্যটকদের কাছে এক আলাদাই ভালো লাগার জায়গা। শীত, গ্রীষ্ম হোক বা বর্ষা, এখানে পর্যটকরা ঘুরতে আসার সুযোগ হাতছাড়া করেন না। মুকুটমণিপুর মানেই হল ড্যাম এবং রিজার্ভার। তবে এই জায়গাকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে সরকার নতুন রোপওয়ে এবং মিনি জু তৈরির পরিকল্পনা করেছ।

এবার মিনি চিড়িয়াখানা তৈরি তবে মুকুটমণিপুরে!

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক রিপোর্ট অনুযায়ী, নবগঠিত বিজেপি সরকার মুকুটমণিপুরে একটি মিনি চিড়িয়াখানা তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকার আশাবাদী, এই উদ্যোগ জায়গাটির প্রতি পর্যটকদের আরও দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, আর তারই সঙ্গে মুকুটমণিপুর তথা সমগ্র বাঁকুড়ার পর্যটন শিল্পে জোয়ার আসবে।

রোপওয়ে তৈরিরও পরিকল্পনা প্রশাসনের

প্রকল্পটির লক্ষ্য হচ্ছে রিজার্ভার এবং বাঁধ ছাড়াও দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতাকে আগের তুলনায় আরও বৈচিত্র্যপূর্ণ করা। শুধু মিনি জু নয়, সরকার এখানে একটি রোপওয়ে তৈরির প্রস্তাবও পেশ করেছে। সরকারের লক্ষ্য, একত্রে এই দুটি প্রকল্প পর্যটন অবকাঠামো শক্তিশালী করা, পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ানো। বাঁকুড়ার রানী হিসেবে পরিচিত মুকুটমণিপুরে রোপ ওয়ে চালু করার দাবি দীর্ঘদিনের। এটি তৈরি হওয়ার ফলে নৌকা থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায় উন্নতি ঘটবে, আরও খানিকটা চাঙ্গা হবে স্থানীয় হোটেল ব্যবসা।

আরও পড়ুনঃ তাজমহল নাকি তেজো মহালয়? কেন্দ্র ও ASI-র কাছে জবাব তলব এলাহাবাদ হাইকোর্টের

সম্প্রতি স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু এই বিষয়ে বড় দাবি করেছিলেন। তিনি জানান, ‘দার্জিলিংয়ের আদলে মুকুটমণিপুরেও পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে রোপওয়ে চালুর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তাঁর মতে, রোপওয়ে চালু হলে মুকুটমণিপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও নতুনভাবে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে। পাশাপাশি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’