১ জুনের আগে এই কাজ না করলে মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই হচ্ছে কাজ। আগামী ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar)। যার আওতায় প্রতি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৩০০০ টাকা করে ঢুকবে। কারণ, বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, ক্ষমতায় এলে লক্ষীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) বন্ধ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালানো হবে, এবং দ্বিগুণ করা হবে ভাতা। এমতাবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করলে মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা।

লক্ষীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে চালু হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার

উল্লেখ্য, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে বাংলার মহিলাদের জন্য চালু করেছিলেন লক্ষীর ভাণ্ডার, যার আওতায় প্রথমে ৫০০ এবং ১০০০ টাকা দেওয়া হতো। পরে সেই ভাতা ১০০০ এবং ১২০০ টাকা করা হয়, এবং এবারের নির্বাচনের আগে তা আরও বাড়িয়ে ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা করা হয়। তবে বিজেপি জানিয়েছিল, তারা যদি ক্ষমতায় ফেরে তাহলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দ্বিগুণ অর্থ অর্থ ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে, এবং নতুন প্রকল্প চালু করা হবে। তা হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। সেই মতোই এবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি, এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকেই এই প্রকল্পের ভাতা ঢুকবে।

এই কাজ না করলে মিলবে না ভাতা

তবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা নিতে গেলে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রকল্পের টাকা অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। তাই যাদের নিজের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই তারা এই প্রকল্পের টাকা পাবে না। এমনকি যাদের যৌথ অ্যাকাউন্ট রয়েছে বা স্বামীর নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তারাও এই প্রকল্পের টাকা পাবে না। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, অ্যাকাউন্টের সঙ্গে অবশ্যই আধার নম্বর লিঙ্ক থাকতে হবে। না হলে টাকা ঢুকবে না।

আরও পড়ুন: কারা পাবেন না আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা? দেখুন সরকারের নির্দেশিকা

এর পাশাপাশি ভাতা পেতে হলে বৈধ রেশন কার্ড থাকতে হবে। না হলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে। আর রেশন কার্ড ছাড়াও আধার কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, আয়ের শংসাপত্র থেকে শুরু করে বসবাসের প্রমাণপত্র, নিজের মোবাইল নম্বর সব কিছুই বৈধ থাকতে হবে। এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি যে এই প্রকল্পে নতুন করে আবার আবেদন করতে হবে কিনা। আপাতত মনে করা হচ্ছে যে অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ঢুকত, সেই অ্যাকাউন্টেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ঢুকবে। এখন দেখার সরকারের তরফ থেকে কী জানানো হয়।