দিঘা ভ্রমণে আর নয় যানজট, খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে নতুন বাইপাসের কাজ

Published:

Digha

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এখন দিঘা (Digha) যাওয়া হবে আরও সহজ। কারণ এবার সেখানে উন্নয়নের স্বার্থে একাধিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে চলেছে বিজেপি সরকার (Government Of West Bengal)। রাজ্যবাসীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্থল হল দিঘার সমুদ্র সৈকত। গত বছর দিঘার জগন্নাথধামের দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরীর মন্দিরের ধাঁচে নির্মিত এই অপূর্ব সুন্দর মন্দিরটি এতটাই আকর্ষণ করেছিল যে এখন সেই দৃশ্য উপভোগ করতে সকলেই দিঘায় আসছে। তাই সেখানে যাতে খুব দ্রুত উন্নয়ন করা সম্ভব হয় সেই দিকে নজর বিজেপি সরকার।

শুরু হবে দিঘা-জলেশ্বর রেলসংযোগের কাজ

দিঘার উন্নয়ন প্রসঙ্গে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রামনগরের বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে এতদিন ‘দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন অথারিটি’ রামনগর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কিন্তু বিজেপি সরকার আসতেই এখন গোটা উপকূলবর্তী এলাকায় দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন হবে। কিছুদিন পরেই দিঘা-জলেশ্বর রেলসংযোগের কাজ দ্রুত শুরু হবে। আপাতত কাজের অগ্রগতি নিয়ে কথা হচ্ছে” এছাড়াও তিনি তাজপুর-সমুদ্রবন্দর কাজের অগ্রগতি নিয়েও একাধিক মন্তব্য করেছেন।

কী বলছেন বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল

বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল জানিয়েছেন, “ দিঘা-বালিশাই বাইপাসের রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু হতে চলেছে। দিঘা সীমান্ত থেকে রামনগর বাইপাস পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটির কাজ জমি বিবাদের জেরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। প্রশাসনের লাগাতার প্রচেষ্টা ও স্থানীয় স্তরে আলোচনার পর অবশেষে সেই জট কেটেছে। এছাড়াও এতদিন ধরে অভিযোগ উঠে আসছিল যে, বাইপাসের জন্য জমি দিয়েও অনেকেই টাকা পাননি, এবার সেই টাকা মেটাতে চলেছে বিজেপি সরকার।” অর্থাৎ সবমিলিয়ে পর্যটন নগরী দিঘার ট্রাফিক ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে যাবে।

আরও পড়ুন: উঠে যাবে তৃণমূল? মমতাকে কংগ্রেসের সহ-অধ্যক্ষর প্রস্তাব সোনিয়ার! রাজ্যসভা চায় অভিষেক

প্রসঙ্গত, দিঘা সীমান্ত থেকে রামনগর পর্যন্ত সরু রাস্তার কারণে প্রায়শই পর্যটকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের মুখে পড়তে হত। এমনকি উৎসবের দিনগুলিতেও পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিত। কিন্তু এবার সেই দুর্ভোগ কাটতে চলেছে। আশা করা যাচ্ছে দিঘা-বালিশাই বাইপাসের রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ হলে সেই চেনা ভোগান্তি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে পর্যটকেরা। বিশেষ করে আগামী দিনে যে সকল পর্যটক দিঘার সমুদ্রের টানে অথবা জগন্নাথ মন্দিরের টানে দিঘা বেড়াতে আসবেন তাঁদেরও অনেক সুবিধা হবে।