গণনায় গরমিল হলেই চাকরি যেতে পারে কর্মীদের! ঘোষণা কমিশনের

Published:

West Bengal Election 2026

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শেষ হয়েছে বাংলায় দুই দফার ভোট গ্রহণ (West Bengal Election 2026)। রাত পোহালেই ভোট গণনা। তবে তার আগে বড় ঘোষণা কমিশনের। গণনার সময় কাজে কোনও ফাঁকফোকর রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সরকারি কর্মচারীরাই সেখানে নিযুক্ত থাকবেন বলে আগেই জানানো হয়েছে। তবে এবার গণনার ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে কমিশন। যদি কোনও কারচুপি বা কাজে গাফিলতি লক্ষ্য করা যায়, তাহলে কর্মীরা শাস্তির মুখে পড়তে পারে। এমনকি চাকরি চলে যেতে পারে! কমিশন সূত্রে খবর এমনটাই।

গণনা নিয়ে বড় ঘোষণা কমিশনের

উল্লেখ্য, এবার বাংলায় নির্বাচন নিয়ে আঁটসাঁট বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকে শুরু করে কড়া নজরদারিতে এবার ভোটগ্রহণ হয়েছে। তবে বেশ কিছু জায়গায় অনিয়ম লক্ষ্য করা গিয়েছে। যেমন ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের কাজে গাফিলতির খবর যায় কমিশনের কাছে। তাদের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বলে খবর। সবথেকে বড় ব্যাপার, এই কেন্দ্রের সবকটি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে বলে গতকাল রাতে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাত পোহালেই অর্থাৎ আগামী ৪ মে ভোট গণনা। তবে তার আগে নিরাপত্তায় কোনও খামতি  রাখতে চাইছে না কেন্দ্র। স্ট্রং রুমগুলিতে ইভিএম কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং তার ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও গ্যাঞ্জাম করতেও নিষেধ করা হয়েছে। পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। পাশাপাশি ৭৭টি গণনা কেন্দ্র কড়া নিরাপত্তার চাঁদরে ঘিরে রাখা হয়েছে। আর সুষ্ঠুভাবে গণনার জন্য ১৬৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে থাকবেন আরও অতিরিক্ত অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার।

আরও পড়ুন: নতুন ডেপুটি গভর্নর পেল RBI

শুধু তাই নয়। সমস্ত গণনা কেন্দ্রে ১৬৩ ধারা জারি করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না হয় সেদিকেও নজর প্রশাসনের। এদিকে কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, গাইডলাইন এবং নির্দেশিকা পাই টু পাই মানতে হবে। আর গণনা কর্মীদের স্বচ্ছ ও সৎভাবে কাজ করতে হবে। কোনও প্রকার ভুল বরদাস্ত করা হবে না। যদি কাজে কোনও গাফিলতি বা গরমিল দেখতে পাওয়া যায় তাহলে তাঁর চাকরি চলে যেতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ গণনায় একমাত্র লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের।