চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে অবশেষে সুখবর, ১৫ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে কাজ

Published:

Chingrighata Metro

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে ক্ষমতা বদল হয়েছে বাংলায়। এবার নতুন সরকার হয়েছে। এদিকে নতুন সরকার আসার সঙ্গে সঙ্গে বহু আটকে থাকা কাজ এবার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর যার শুরু হয়তো হয়েও গিয়েছে। অন্যতম বড় বিষয় হল একাধিক মেট্রো প্রকল্পের থমকে থাকা কাজ। হ্যাঁ ঠিকই আন্দাজ করেছেন। অবশেষে চিংড়িঘাটা মেট্রো (Chingrighata Metro) প্রকল্পের কাজ শুরু হতে চলেছে বলে খবর। কাটতে চলেছে দীর্ঘ জট।

শুরু হচ্ছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ

সূত্রের খবর। কলকাতা মেট্রো এবং রেল কর্মকর্তারা এখন দীর্ঘ বিলম্বের পর পুনরায় চালু করা যেতে পারে এমন প্রকল্পগুলির একটি তালিকা তৈরি করছেন, বিশেষ করে যেহেতু কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় স্থানেই একই সরকার ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, সরকারগুলির মধ্যে সমন্বয়ের অভাবকে একটি প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হতো। বিশেষ করে মেট্রো সম্প্রসারণের ধীরগতির বিষয়টি প্রায়শই কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব তুলে ধরেছিলেন দীর্ঘদিন। কেন্দ্র এগিয়ে যেতে চাইলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গড়িমসিতে বহু কাজ আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন রেলমন্ত্রী। তবে আর নয়।

আরও পড়ুনঃ চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে অবশেষে সুখবর, ১৫ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে কাজ 

অরেঞ্জ লাইনের চিংড়িঘাটায় যে দেরিটা হচ্ছিল এতদিন, তা অবশেষে সমাধান হতে পারে। নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় রাস্তা অবরোধের অনুমতি দিতে ট্রাফিক পুলিশ এখন ১৫ মে থেকে রাজি হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ১৫-১৮ মে ও ২২-২৪ মে যান নিয়ন্ত্রণ করে চিংড়িঘাটায় চলবে লাইন জোড়ার কাজ। এই স্থানে মেট্রো ভায়াডাক্টে ৩৬৬ মিটারের একটি ফাঁক নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডোরের অগ্রগতিতে বাধা দিচ্ছিল। বর্তমানে লাইনটি শুধুমাত্র নিউ গড়িয়া এবং বেলেঘাটার মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে চলে। প্রকল্পটি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যারা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কাজটি শেষ করার অনুমতি চেয়ে আসছে।

আরও উন্নত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা

তবে কিছু না কিছুর কারণে কাজ থমকে যায়। সূত্রের খবর, যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে ৫০০ মিটারের একটি অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এর আগে, কলকাতা হাইকোর্ট ২০২৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজটি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল, কিন্তু রাজ্য সরকার ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এটিকে চ্যালেঞ্জ করে। অন্যদিকে কর্মকর্তারা পার্পল লাইনের কাজ এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী, যা বেহালার বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিসি রায় মার্কেটের ব্যবসায়ীরা স্থানান্তরিত হতে রাজি না হওয়ায় এসপ্ল্যানেড স্টেশনের নির্মাণকাজ বিলম্বিত হয়েছে। লাইনটি বর্তমানে জোকা ও মাঝেরহাটের মধ্যে চলাচল করে। তবে এবার এখানেও জট কাটবে বলে খবর।