অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে চিন্তা শেষ, বিরাট উদ্যোগ রাজ্যের, উপকৃত হবেন মহিলারা

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এখন সাইবার ক্যাফে থেকে শুরু করে যে কোনও সরকারি অফিস, সব জায়গাতেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের জন্য লাইন মহিলাদের। এমনিতেই এবার রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ১৩ পাতার একটি ফর্ম প্রকাশ করা হয়েছে, যা নিয়ে ধন্দায় রয়েছেন অনেকেই। কারণ, সেই ফর্মে আবেদনকারী থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের সমস্ত সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সমস্ত ডকুমেন্ট জুড়তে হচ্ছে। কিন্তু এবার ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে মহিলাদের সমস্যা দূর করতে বিরাট উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় উদ্যোগ রাজ্যের

উল্লেখ্য, এখন অফলাইনের থেকে বেশি অনলাইনেই সকলে ফর্ম ফিলাপ করছে। কিন্তু গ্রাম্য অঞ্চলে অনেকেই রয়েছেন যারা অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করতে অভ্যস্ত নন। তারা অফলাইনের উপরে নির্ভর করে রয়েছেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে অফলাইনেও অনেকে ফর্ম ফিলাপ করতে পারছেন না। তাদের জন্য এবার রাজ্য সরকার তরফ থেকে বিশেষ জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখান থেকেই সরাসরি ফর্ম ফিলাপ করে জমা দেওয়া যাবে এবং অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে মহিলারা। তবে হ্যাঁ, আগামী ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির আয়োজন করা হয়েছে। এর বাইরে আর সুযোগ পাওয়া যাবে না।

কিন্তু আপনার এলাকায় কবে এই শিবির বা ক্যাম্প বসবে তা আপনি বাড়িতে বসে অনলাইনের মাধ্যমে দেখে নিতে পারবেন। এর জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একটি অফিসিয়াল সাইট লঞ্চ করা হয়েছে, যেটির আইপি এড্রেস হল https://jks.wb.gov.in/ । এই ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথমে প্রকল্পের জায়গায় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার সিলেক্ট করতে হবে। তারপর নিজের জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত বা ওয়ার্ড সিলেক্ট করলেই কোন তারিখে আপনার এলাকায় শিবির বসবে তা আপনি নিজে থেকে দেখে নিতে পারবেন এবং সেই শিবিরে গিয়েই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম জমা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: দু’ঘণ্টার রাস্তা ৩০ মিনিটেই! শহরে হেলি ট্যাক্সি পরিষেবা আনতে চলেছে বিজেপি সরকার

বলে রাখি, আবেদন শুরু হওয়ার প্রথম ১৬ দিনেই মোট ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ২১৩ জন মহিলা আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি তাদের মধ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ মহিলার আবেদন যাচাই করে জুন মাসে ৩০০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে, এবং বাদবাকি যারা রয়েছেন তাদের আবেদন খুব তাড়াতাড়ি যাচাই করে হয়তো আগামী জুলাই মাস থেকেই এই প্রকল্পের ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে যারা এখনও পর্যন্ত আবেদন করতে পারেননি তাদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, রাজ্য সরকার ৯০ দিনের সময়সীমা দিয়েছে। তার মধ্যেই অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করা যাবে। কিন্তু যারা একেবারেই সমস্যায় পড়ছেন, তারা ১৫ থেকে ১৭ জুন এই শিবিরের মাধ্যমে সরাসরি নিজেদের আবেদনপত্র ফিলাপ করে জমা দিতে পারবেন।