মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হোক, দাবি মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: তিলোত্তমা কাণ্ডে (RG Kar Rape Case) ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। গ্রেফতার করা হয়েছে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও। দুজন মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)কেন নয়? এমন প্রশ্ন তুলেই এবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারের দাবি করলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বলাই বাহুল্য, এর আগে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে বারবার রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতার দিকে আঙুল তুলেছেন তিলোত্তমার মা রত্না দেবনাথ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হবে?

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই অভয়া কাণ্ডের ফাইল খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতোই, আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়া খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। গত 9 আগস্ট, তিলোত্তমার স্মরণসভায় হাজির হয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিলোত্তমার বিচারের জন্যই মানুষ তাঁদের জিতিয়েছে। তাই মানুষের প্রতি কমিটেড তাঁরা। বিচারের স্বার্থে যা করতে হয় করবেন তিনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেস করুন। দ্রুত অ্যাকশন নিন। অভয়া ভুলিনি। মানুষ আমাদের জিতিয়েছে এই কেসের বিচারের জন্য। আমরা কমিটেড।” এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরই রানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় সহ সোমনাথ দে-দের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। আর তারপরেই গ্রেফতার করা হয় নির্মল ঘোষদের। তবে পুলিশের হাতে আসেননি সোমনাথ।

অবশ্যই পড়ুন: ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলার জন্য বিরাট বলিদান দিল ভারত

নির্মল ঘোষদের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, এমন পদক্ষেপে তিনি অত্যন্ত খুশি। আগের তুলনায় কিছুটা শান্তি পেয়েছেন। তবে নির্মল ঘোষদের গ্রেফতার করা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা উচিত। কারণ তিনিই ঘটনাটির সময় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বর্তমান মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা বলেন, “তিনি তো ঝাড়গ্রাম থেকে দেখা করতে এসেছিলেন বিনীত গোয়েলের সঙ্গে। ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অভয়ার বাবা-মায়ের মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করেছিলেন। যদি নির্মলবাবুদের গ্রেফতারির দাবি করি তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা উচিত!”