বাড়ি বাড়ি কাজ করে টাকা জমিয়ে মিঠুনের হাতে তুলে দিলেন মামনি

Published:

Mithun Chakraborty
Follow

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফল খাওয়ার জন্য মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) ৫০০ টাকা উপহার! পাশপাশি প্রিয় তারকাকে স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়ার বার্তা ভক্তের! জানা গিয়েছে গতকাল, শুক্রবার কোচবিহারের পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার মাঠে জনসভায় অংশ নেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই সময় টাকা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এক ভক্ত। কিন্তু মিঠুনের কাছে পৌঁছাতে না পারায় এবার বড় পদক্ষেপ নিলেন মহাগুরু।

ঠিক কী হয়েছিল?

কোচবিহারের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গান্ধী কলোনির বাসিন্দা হলেন মামণি সরকার। বয়স তাঁর ৫০। পেশায় তিনি একজন পরিচারিকা। ছোটবেলা থেকেই তিনি মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর বড় ভক্ত। কিন্তু কিছুতেই তাঁর সঙ্গে একবারের জন্য দেখা করতে পারেননি। এমতাবস্থায় গতকাল, কোচবিহারের পুরাতন পোস্টঅফিস পাড়ার মাঠে ছিল বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প’ সভা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন খোঁদ বিজেপি তারকা মিঠুন চক্রবর্তী। আর সেই খবর কানে আসা মাত্রই সব কাজ ফেলে একটিবারের জন্য প্রিয় তারকাকে দেখতে ছুটে এলেন। সঙ্গে উপহার স্বরূপ নিয়ে এলেন ৫০০ টাকা।

আরও পড়ুনঃ এবারেও বাদ শামি, ফিরলেন আইয়ার! কিউই সিরিজের দল ঘোষণা BCCI-র

উপহার দিতে না পারার আক্ষেপ ভক্তের

মামণি সরকার জানান, পরিচারিকার কাজ করে তিনি কোনরকমে ৫০০ টাকা জমিয়েছিলেন সেটাই মিঠুনকে দিতে চেয়েছিলেন যাতে অভিনেতা ফল কিনে খান। কারণ, টিভিতে দেখেন অভিনেতার স্বাস্থ্য খানিক ভেঙেছে। কিন্তু এবারেও তাঁর আশা পূরণ হয়নি। এবারেও দূর থেকে দেখেই খুশি থাকতে হল মামণিকে। প্রিয় নায়কের জন্য ‘উপহার’ নিয়ে এলেও তাঁকে না দিতে পারার আক্ষেপে চোখে জল চলে এল মামণির। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মামণি দেবীর ইচ্ছা বিফলে যায়নি। তাঁর ভক্তের এই ইচ্ছা পূরণের জন্য খোঁদ মিঠুন চক্রবর্তী এগিয়ে এলেন। দেখা করতে চাইলেন তাঁর সঙ্গে।

আরও পড়ুন: কবে দেওয়া হবে সবুজ সাথীর সাইকেল! জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার

ভক্তের ডাকে সাড়া দিলেন মিঠুন

আজ অর্থাৎ শনিবার সকালে মিঠুন চক্রবর্তী নিজেই বিজেপি নেতাদের নির্দেশ দেন যে ওই মহিলাকে খুঁজে নিয়ে আসার। শেষ পর্যন্ত নানা খোঁজখবর করার পর ১ নম্বর কালীঘাটের বাসিন্দা মামনি সরকারকে খুঁজে আনা হয় এবং শেষে মিঠুনের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ৫০০ টাকা দেন। টাকার পাশাপাশি একটি ছোট গোপাল ঠাকুরের মূর্তিও মিঠুনকে উপহার দিয়েছেন মামনি। ভক্তের এই উপহার পেয়ে খুব খুশি মহাগুরু। তিনি জানিয়েছেন, “এটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।”