নিজেই করুন সার্ভে! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়া আরও সহজ, জানুন কীভাবে

Published:

PM Awas Self Survey

অনন্যা সরকার, কলকাতা: এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY) জন্য নিজেই সমীক্ষকের ভূমিকা পালন হতে পারবেন (Self Survey) আবেদনকারীরা। পূর্বতন সরকারের আমলে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে এই সুবিধা না থাকায় সমীক্ষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করতে হত। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৬ হাজার সমীক্ষক এ-আই ভিত্তিক আবাস প্লাস ২০২৪ (Awas+ 2024) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আধার-ভিত্তিক ‘ফেস অথেন্টিকেশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করে সমীক্ষা করেন। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমীক্ষক দল পৌঁছতে না পারলে আবেদনকারীরা নিজে থেকেই আবাস প্লাস ২০২৪ অ্যাপ ডাউনলোড করে সমীক্ষকের কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারবেন। 

সেলফ সার্ভে করবেন কিভাবে?

গুগল প্লে স্টোর থেকে আবাস প্লাস অ্যাপ ডাউনলোড করে যোগ্য ব্যক্তিরা বাড়ির জন্য আবেদন করতে পরিচয়পত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে পারবেন। এরপর আধার-ভিত্তিক ফেস রিকগনিশন পদ্ধতিতে সমীক্ষার কাজটি সারা যাবে। গত ৪ জুন থেকে শুরু হয়ে আগামী দু’মাস অর্থাৎ ৪ অগাস্ট পর্যন্ত আবাস প্রকল্পের সমীক্ষার কাজ করতে কোনও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমীক্ষক না পৌঁছাতে পারলে যোগ্য ব্যক্তিরা আবেদন করা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

বিগত সরকারের আমলে বহু অঞ্চলের সমীক্ষকরা পৌঁছাতে পারেননি বলে  অনেক যোগ্য ব্যক্তিরা প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া রাজনৈতিক কারণেও যদি সমীক্ষকের দল নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে না পারে তাহলে স্ব-মূল্যায়ণ করে আবেদন জমা দিতে পারবেন আবেদনকারীরা। তবে সেলফ সার্ভের ক্ষেত্রে প্রশাসন একেবারে শেষে যাচাই করে নেবে সেই ব্যক্তি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কিনা। 

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে চিন্তা শেষ, বিরাট উদ্যোগ রাজ্যের, উপকৃত হবেন মহিলারা

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে সমীক্ষা করা হবে সেই সব ব্যক্তিদের, যারা গৃহহীন বা কাঁচা বাড়িতে থাকেন। যোগ্যতার মাপকাঠিতে কাঁচা বাড়ি বলতে বোঝায় সেই সব বাড়িকে, যা মাটি, বাঁশ, খড় বা কাঁচা ইট দিয়ে তৈরি। আর কাঁচা ছাদ তৈরি হয় টালি, খড়, প্লাস্টিক বা বাঁশ দিয়ে। এরকম বাড়িতে যারা থাকেন তারাই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি পাবেন। এই প্রকল্পে পরিবার পিছু ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা তিনটি কিস্তিতে দেওয়া হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬০ হাজার টাকা এবং শেষ কিস্তিতে ১০ হাজার টাকা। তবে শেষ কিস্তিটি বাড়ি শেষ হওয়ার পরে পাওয়া যায়। প্রত্যেক কিস্তি পাওয়ার পর বাড়ি কতটা নির্মাণ হল, তার ছবি তুলে আপডেট দিতে হবে প্রশাসনকে। এই ছবিগুলি নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে পৌঁছায়।