প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সবে মিটেছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, এমতাবস্থায় দাসপুরে (Daspur) ঘটল এক ন্যক্কারজনক ঘটনা। চিপস ও কুড়কুড়ের প্যাকেট কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকাদের সঙ্গে অশালীন (Minor Harrasment Case) আচরণের অভিযোগ উঠল এক দোকানদারের বিরুদ্ধে। গোপনে আপত্তিকর ভিডিও করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকা জুড়ে। শেষে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই অভিযুক্তকে।
চিপসের প্রলোভন দেখিয়ে অশালীন আচরণ!
রিপোর্ট মোতাবেক, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে বসুদেব মাইতি নামে প্রায় ৫০ বছর বয়সী এক দোকানদারের বিরুদ্ধে নাবালিকাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠে এসেছে। দাসপুর থানার রাধাকান্তপুর হাইস্কুলের পাশে তাঁর একটি দোকান রয়েছে। অভিযোগ তিনি নাকি চিপসের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক নাবালিকা ছাত্রীকে নিজের দোকানে ডেকে আনতেন এবং তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন। শুধু তাই নয় ওই অভিযুক্ত আবার সেগুলি গোপনে ভিডিও বানিয়ে সেগুলি অন্যদের কাছে অর্থের বিনিময়ে বিক্রিও করতেন। নির্যাতিতারা যাতে কাউকে না জানায় তার জন্য প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিতেন।
গ্রেফতার করা হয়েছে দোকানদারকে
জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে ওই দোকানদারের একটি ভিডিও ভুলবশত অন্য এক ব্যক্তির মোবাইলে চলে যাওয়ায় গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওতে যে নাবালিকাকে দেখা গিয়েছিল তার পরিবারের লোক সঙ্গে সঙ্গে দাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। বুধবার ঘাটাল আদালতে তোলা হয়েছিল, সেখানে ধৃতের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁকে জেরা করে গোটা ঘটনার তদন্ত করা হবে। অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: একাধিক নাবালিকার সঙ্গে কুকীর্তি, ভিডিও রেকর্ড করে বিক্রি! দাসপুরে হাড়হিম করা কাণ্ড
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই কুলটিতে নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এক সিআইএসএফ জওয়ানকে। ধৃতের নাম রমাকান্ত বিশ্বকর্মা। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল আসানসোল আদালতে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা করা হয়েছে। যদিও পুলিশ তাঁকে জেরা করার জন্য কোনওরকমের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেনি।










