কপাল খুলছে জঙ্গলমহলের, আদ্রা ডিভিশনে বড় প্রকল্পের মঞ্জুরি দিল রেল

Published:

Salboni-Adra Third Line

সহেলি মিত্র,কলকাতাঃ সাধারণ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের কপাল খুলতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে এবং যাত্রী ও মাল পরিবহনের সংযোগ উন্নত করার কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে রেল মন্ত্রক তিনটি বড় প্রকল্প অনুমোদন করেছে। যার মধ্যে অন্যতম হল জঙ্গলমহলের শালবনি-আদ্রা তৃতীয় লাইন (Salboni-Adra Third Line) প্রকল্পের চূড়ান্ত অবস্থান সমীক্ষা। এই রেল লাইন প্রসঙ্গে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

আদ্রা ডিভিশনে বড় প্রকল্পের মঞ্জুরি দিল রেল

জানা গিয়েছে, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের নেতৃত্বে অনুমোদিত এই উদ্যোগগুলি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোরগুলিতে পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং পরিষেবার পরিধি প্রসারিত করবে। রিপোর্ট অনুযায়ী,  বিশেষ করে শালবনি-আদ্রা লাইনের কাজ এবার শুরু হবে। একবার ট্রেন পরিষেবা শুরু হলে দারুণভাবে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ।

কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গের শালবনি এবং আদ্রার মধ্যে ১০৭ কিমি তৃতীয় রেললাইন নির্মাণের জন্য চূড়ান্ত অবস্থান সমীক্ষা (FLS) অনুমোদিত হয়েছে। এই অংশে তৃতীয় লাইন চালু হলে তা বিদ্যমান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে, যার ফলে কার্যক্রম আরও মসৃণ হবে এবং অধিক পরিমাণে যান চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উন্নয়নটি পণ্যবাহী করিডোরগুলোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অঞ্চলটি খনিজ ও শিল্পজাত পণ্য পরিবহনের একটি প্রধান সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে।

বড় পরিকল্পনা রেলের

মন্ত্রক এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনার পর এই অনুমোদনটি দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ট্র্যাক দ্বিগুণ করা, নতুন ট্রেন পরিষেবা এবং অতিরিক্ত রেললাইনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ, যেগুলির সম্মিলিত লক্ষ্য হলো ধারণক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং উন্নত গতিশীলতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

আরও পড়ুনঃ রেলের তৎপরতায় ভোল বদলে গেল শিয়ালদা স্টেশনের, সুবিধা যাত্রীদের

অন্যতম প্রধান প্রকল্প হলো নতুন জলপাইগুড়ি–শিলিগুড়ি রেললাইন দ্বিগুণ করা। এই পথটি উত্তর-পূর্ব রেল নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ, যা উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলো থেকে যাত্রী ও মাল পরিবহনের সুবিধা প্রদান করে। ট্র্যাক দ্বিগুণ করার ফলে লাইনের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যানজট কমবে এবং এই ব্যস্ত করিডোরে পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে।