রাজ্যে স্ট্যাম্প পেপারের আকাল! বাড়ছে বিতর্ক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

Published:

Stamp Paper Crisis

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই রাজ্যে বাড়ছে স্ট্যাম্প পেপারের অভাব (Stamp Paper Crisis)।‌ বিলুপ্তির পথে যেতে চলেছে ১০ টাকা ও ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার। ফলে সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ।‌ আর এবার সেই নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court On Stamp Paper)। অভিযোগ এই স্ট্যাম্প পেপার ব্যবহার করে নাকি গণতান্ত্রিক তৃণমূলের হয়ে তৃণমূল কর্মীদের কাছ থেকে সই সংগ্রহ করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে আজ প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা।

রাজ্যে স্ট্যাম্প পেপারের আকাল

বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে স্ট্যাম্প পেপার নিয়ে নানারকম অভিযোগ উঠে আসছে। অভিযোগ, যে সব স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারদের অনুমোদন রয়েছে, তাঁদের প্রশাসনের তরফে অলিখিত নির্দেশ মোতাবেক ইতিমধ্যেই নাকি বাজার থেকে ২৫ হাজারের বেশি স্ট্যাম্প পেপার তুলে নেওয়া হচ্ছে। এবং সেই সব স্ট্যাম্প পেপারগুলো নাকি পাঠনো হচ্ছে রাজ্যের থানাগুলোতে। মামলাকারীর অভিযোগ, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হলফনামা জমা দেওয়ার বিষয়টি সামনে রেখেই এই স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জনস্বার্থ মামলা দায়ের কলকাতা হাইকোর্টে

জানা গিয়েছে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল তথা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর হয়ে সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্ট্যাম্প পেপারে সই করাচ্ছে পুলিশ। সাধারণত কোনও স্ট্যাম্প পেপার তুলতে হলে নির্দিষ্ট আইন মেনে তা তুলতে হয়। এমনকি স্ট্যাম্প পেপারের একটা নির্দিষ্ট রেজিস্ট্রেশনও হয়। কিন্তু অভিযোগকারী অভিযোগ করছেন, যেভাবে কাজ হচ্ছে সেখানে কোনও রেজিস্ট্রেশনও হচ্ছে না। তাই সেই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল মামলাকারী। সেখানে সংগ্রহ করা স্ট্যাম্প পেপারগুলি বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: অষ্টমীর রাতে পৈশাচিক কাণ্ড বাঁকুড়ায়! তন্ত্রসাধনার চক্করে স্ত্রী ও বাবাকে ‘বলি’ যুবকের

হাইকোর্টের কাছে অভিযোগ কারীর আরও আবেদন যে স্ট্যাম্প পেপারে সই সংগ্রহের এই কাজে পুলিশকে বিরত থাকার যেন নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। এখন দেখার এই অভিযোগ ঘিরে জনস্বার্থ মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কী নির্দেশ দেয়। প্রশ্ন উঠছে এই ঘটনায় তবে কি ফের আইনি জটে ফাঁসতে চলেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

google button