“এই সরকার শুধু ভাতা দিতে আসেনি” অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে অন্নপূর্ণা দিবস। সেপ্টেম্বরে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। আজ থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে অর্থ সহায়তা। যদিও গতকাল থেকে অনেক মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকেছে বলেই খবর। তবে আজ অন্নপূর্ণা দিবসের সভা থেকে বড় কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দিলেন, “এই সরকার শুধু ভাতা দিতে আসেনি।”

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

এদিন অন্নপূর্ণা দিবসের অনুষ্ঠানে আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলোধোনা করার পাশাপাশি রাজ্যের মহিলাদের উদ্দেশ্যে একাধিক বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নেশামুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়বই। সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ এবং বাল্য বয়সে সন্তান প্রসব বন্ধ করতে এসেছি। এই সরকার শুধু ভাতা দিতে আসেনি। সংস্কার করতেও এসেছে। আমরা এই চার মাসে প্রথম যে কাজটা করেছি, রাজ্যের মা-বোনদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে, তার জন্য আমরা কমিশন বানিয়েছি। অত্যাচার হলে ছাড়ব না। আমাদের এটা কমিটমেন্ট।”

আসলে বৃহস্পতিবার বিধান নগরের বইমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদকমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ এবং আর্থিক সহায়তা নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্নপূর্ণা যোজনার চতুর্থ কিস্তি টাকা নিয়েও তিনি একাধিক ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “দেড় কোটির বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা পাঠানো হয়েছে। বাকি যোগ্য আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টেও সারাদিন ধরে টাকা পৌঁছে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে ৫০ লক্ষের বেশি নতুন বাড়ি তৈরির জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সমস্ত বাড়ির মালিক মহিলারা হবেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির মালিক আমরা মহিলাদের করব।”

আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তে বাদ পড়ল এদের নাম, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় খবর

এর পাশাপাশি বাল্যবিবাহ এবং নারী ও কন্যাদের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি জানিয়েছেন, “অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বেতন ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ১৪ আগস্ট রাজ্যে কন্যা রত্ন দিবসে মেয়েদের অ্যাকাউন্টে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর এই অর্থ বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হবে। ১৮ বছরের আগে কোনও নাবালিকাকে বিবাহ হতে দেব না। এছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের পর মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে স্নাতক স্তরে ৫০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা করা হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।”