হরিদ্বারে অ-হিন্দুদের প্রবেশে বসতে পারে নিষেধাজ্ঞা! বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে উত্তরাখণ্ড সরকার

Published:

Ayodhya saints big appeal to Dhami government regarding Haridwar
Follow

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হরিদ্বারে (Haridwar) প্রস্তাবিত কুম্ভ মেলার আগে গঙ্গার ঘাটে অ-হিন্দুদের উপস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অযোধ্যার সনাতন সমাজের সাধুসন্তরা। নিউজ 18 এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অযোধ্যার সাধুদের দাবি, কুম্ভের সময় হরিদ্বারের ধর্মীয় স্থানগুলিতে পবিত্রতা বজায় রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, অ-হিন্দু ব্যক্তিরা যাতে গঙ্গার ঘাটে প্রবেশ করতে না পারেন সেজন্যেও উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে সরকারের তরফে এ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। যদিও অনেকেই মনে করছেন, সাধুদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে হরিদ্বারকে সনাতনের পবিত্র শহর হিসেবে ঘোষণা করতে পারে উত্তরাখণ্ডের ধামি সরকার।

কুম্ভের সময় অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি সাধুদের

বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরিদ্বারে কুম্ভ মেলার আগে 105টি গঙ্গা ঘাটে অ- হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন অযোধ্যার সাধু সমাজ। এ প্রসঙ্গে অযোধ্যার এক সাধু সন্তোষ সীতারাম দাস সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, “হরিদ্বারের গঙ্গাঘাট নিয়ে উত্তরাখন্ড সরকার যদি বড় সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সেই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাবো।” ওই সাধুর বক্তব্য, “কুম্ভ মেলার সাথে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ঐতিহ্য জড়িয়ে। যারা হিন্দু নয় তাদের গঙ্গার ঘাট গুলিতে কী কাজ? তারা কি পিকনিক করতে আসছেন!”

অবশ্যই পড়ুন: বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে না আসলে কিছুই যাবে আসবে না BCCI-র! কারণ এখানে….

সীতারামের স্পষ্ট বক্তব্য, উত্তরাখন্ড সরকার যদি হরিদ্বারের গঙ্গাঘাট বা হিন্দুদের বিচরণ ক্ষেত্রগুলিতে অ হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে হরিদ্বারকে সনাতন পবিত্র শহর হিসেবে ঘোষণা করে তবে তা যথেষ্ট প্রশংসনীয় হবে। কুম্ভ মেলার বিশুদ্ধতা বজায় রাখার জন্য এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। ওই সাধুর দাবি, “আমরা অবশ্যই সরকারকে অযোধ্যার দিকেও মনোযোগী হতে বলব।”

অবশ্যই পড়ুন: অনলাইনে কাটতে পারবেন না অগ্রিম টিকিট! বদলে গেল রেলের নিয়ম

হরিদ্বারকে যদি পবিত্র সনাতন শহরে হিসেবে ঘোষণা করা হয় তাহলে বিষয়টিকে কেমন ভাবে দেখবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে হনুমানগড়ি মন্দিরের পুরোহিত রাজু দাস জানিয়েছেন, “ধর্মীয় স্থানগুলোর ঐতিহ্য এবং বিশ্বাসকে সম্মান জানানো উচিত। যদি ধামি সরকার হরিদ্বার নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে এটি খুব ভালো পদক্ষেপ হবে। প্রত্যেক ধর্মীয় স্থানের জন্য স্পষ্ট নীতি থাকা উচিত।”