বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আজ, 26 ফেব্রুয়ারি যুবসাথী প্রকল্পে (Banglar Yuva Sathi) আবেদনের শেষ তারিখ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, গত 15 ফেব্রুয়ারির পর থেকে শুরু হয়েছিল এই বিশেষ প্রকল্পে আবেদন গ্রহণের কাজ। তাতে বিগত 9 দিনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই মাসিক ভাতা প্রকল্প। বুধবার পর্যন্ত এই বিশেষ প্রকল্পে আবেদনকারীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল 76 লাখ 77 হাজারে। অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতি মিলিয়ে প্রায় 77 লাখ আবেদনকারী এই প্রকল্প থেকে মাসিক ভাতা পেতে আবেদন করেছিলেন। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, এমন কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে যেগুলিতে ঢুকবে না যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। রইল সেই তথ্য।
এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ঢুকবে না যুবসাথী প্রকল্পের টাকা
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাজ্যের শিক্ষিত অথচ বেকার এমন 21 থেকে 41 বছর বয়সি যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। যদিও এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে মাধ্যমিক পাস। সেই সাথে সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী, বেশকিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এই প্রকল্পের জন্য প্রযোজ্য নয়।
বলাই বাহুল্য, যেসব আবেদনকারীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট বা যৌথ অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং তারা যদি যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের সময় ফর্মে ওই অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়ে থাকেন সে ক্ষেত্রে এই প্রকল্প থেকে মাসিক ভাতা পাবেন না। একই সাথে, যেসব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধারের সাথে সংযুক্ত নেই অর্থাৎ আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করা নেই সেইসব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই প্রকল্পের মাসিক 1500 টাকা ঢুকবে না বলেই খবর। এছাড়াও অ্যাকাউন্ট যদি সক্রিয় না থাকে সে ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা পেতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে আবেদনকারীকে।
অবশ্যই পড়ুন: ইংল্যান্ডের কাছে হারায় পাক অধিনায়কের স্ত্রী এবং সন্তানকে খুনের হুমকি সমর্থকদের!
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প যুবসাথীতে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন দক্ষিণ 24 পরগনার বেকার যুবক-যুবতীরা। এরপর সবচেয়ে বেশি আবেদনের নিরিখে তালিকায় নাম রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর 24 পরগনার। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুরের মতো জেলা থেকে প্রচুর আবেদন জমা পড়েছে।












