অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন ঠিকঠাক হয়েছে তো? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

Published:

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও চলছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যেই প্রথম ধাপে প্রায় ২৮ লক্ষের বেশি মহিলা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা করে পেয়েছে। তবে যারা নতুন আবেদন করেছেন তারা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন? কীভাবেই বা নিশ্চিত হবেন যে আপনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা পাবেন? সেই পদ্ধতি জানাবো এই প্রতিবেদনে।

চেক করুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের স্ট্যাটাস

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের স্ট্যাটাস অনলাইনের মাধ্যমে চেক করা যাচ্ছে। তার জন্য শুধুমাত্র হাতের স্মার্টফোনই যথেষ্ট। পদ্ধতি রইল নিচে—

  • সর্বপ্রথম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://socialregistry.wb.gov.in/ ভিজিট করতে হবে।
  • তারপর সেখানে গিয়ে ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।
  • এরপর নিজের অ্যাপ্লিকেশন আইডি, আধার নম্বর এবং নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর ইনপুট করতে হবে।
  • তারপর ক্যাপচা কোড পূরণ করে সার্চ বা সাবমিট অপশন ক্লিক করতে হবে।
  • সেখানে দেখতে পাবেন আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা।

না বললেই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছিলেন যে, জুন মাস থেকে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া শুরু হবে। কিন্তু প্রথমে জানানো হয়েছিল, লক্ষীর ভাণ্ডার যারা পেতেন তাদের নাম সরাসরি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসার কারণে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ১৩ পাতার একটি আবেদন ফর্ম প্রকাশ করা হয়, যাতে উপভোক্তা থেকে শুরু করে তার পরিবারের সমস্ত সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চাওয়া হয়। যারা যত দ্রুততার সাথে সেই ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিয়েছে তারা এই প্রকল্পের আওতায় তত তাড়াতাড়ি সুবিধা পেয়েছে।

আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের মাঝেই সুখবর! দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা, আগামীকালের আবহাওয়া

তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, যারা এখনও পর্যন্ত আবেদন করেননি, তাদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য ৯০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে আবেদন করলেই তা দ্রুত ভেরিফাই করে মাসে মাসে ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও যোগ্য উপভোক্তা এই প্রকল্প থেকে বাদ পড়বে না। অহেতুক গুজব ছড়ানোর কোনও প্রশ্ন ওঠে না।