দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাজেটে তুলে ধরা হয়েছিল বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের (Bengaluru-Hyderabad High Speed Rail) বিষয়টি। আর তারপরেই এই বিশেষ রেল করিডোর নিয়ে তৎপর হয়েছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে আলোচনার জন্য কর্নাটকে পৌঁছেছিলেন সেন্ট্রাল রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সিংহভাগেরই আশা, ভারতীয় রেলের (Indian Railways) বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চেহারা পাল্টে যাবে দক্ষিণ ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার।

মাত্র দু’ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন হায়দরাবাদ

বর্তমান সময়ে এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে আট ঘন্টা। তবে ভারতীয় রেলের একটি সূত্র দাবি করছে, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হয়ে গেলে এই পথ ধরে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র দু’ঘণ্টা।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই করিডোরটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যাতে এই রেল ট্র্যাক দিয়ে সর্বোচ্চ 350 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ছুটতে পারে ট্রেন। আপাতত যা খবর, এই রেল করিডোরের 100 কিলোমিটার অংশ থাকবে কর্নাটকের মধ্যেই। জানা যাচ্ছে, এই হাই স্পিড রেল করিডোর বা রেললাইনটি তুমাকুরু জেলা হয়ে প্রবেশ করবে।

 

এছাড়াও এই করিডোরে ট্রেনের দীর্ঘ যাত্রাপথে থাকবে তিনটি কৌশলগত স্টেশন। এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি চিক্কাবল্লাপুরে অবস্থিত আলিপুর স্টেশন, দেভানাহল্লি স্টেশন এবং কোডিহাল্লি স্টেশন থাকছে। না বললেই নয়, এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি অর্থাৎ আলিপুর স্টেশন হবে হাই স্পিড করিডোরে প্রবেশের প্রথম স্টেশন। এছাড়াও তিন নম্বর সেশনটি হবে মেগা জংশন। সবচেয়ে বড় কথা, এই দীর্ঘ যাত্রাপথে 12টি স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলেই খবর।

অবশ্যই পড়ুন: বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

ওয়াকিবহাল মহলের আশা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত বিশেষ হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হলে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যেমন যোগাযোগ বাড়বে তেমনই দুই শহরের মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রেও জোয়ার আসবে। সবচেয়ে বড় কথা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা অল্প সময়ে নিজেদের কাজ মিটিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। সরকারি সূত্র মারফত খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এখনও 176 হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন। আশা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সেই কাজ সম্পন্ন হলেই বিশেষ প্রকল্পের নির্মাণ কাজে হাত লাগাবে রেল।

google button