প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন দিচ্ছে SBI, আপনি পাবেন?

Published:

State Bank of India Is giving 80 thousand crore

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি ব্যাঙ্ক SBI বিরাট ঘোষণা করেছে (State Bank of India)। এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি, হঠাৎ প্রায় 70 থেকে 80 হাজার কোটি টাকার লোন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু কেন? করাই বা পাবেন ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের এই ঋণ? কয়েকটি রিপোর্ট মারফত খবর, ভারতের বৃহত্তম সরকারি ব্যাঙ্কটি একটি বিশেষ প্রকল্প চালু করেছে। আর সেই প্রকল্পের আওতায় এবার প্রায় 80 হাজার কোটি টাকার ঋণ সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে! অর্থাৎ এই প্রকল্প থেকে লোন নিতে চাইলে তা নিতে পারবেন যে কেউ!

ঠিক কারা পাবেন SBI এর লোন?

স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে একেবারে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা কেন্দ্রীয় সরকারের ইমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিমের আওতায় এই বিপুল পরিমাণ ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের সরকারি ব্যাঙ্ক SBI এর চেয়ারম্যান সিএস শেট্টি জানিয়েছেন, আসন্ন 8 থেকে 10 দিনের মধ্যেই পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিশেষ প্রকল্প। যা প্রত্যেকের জন্য উন্মুক্ত।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের অধীনে SBI মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সহজ শর্তে ঋণ দেবে। এর জন্য SBI এর সাথে যৌথভাবে কাজ করবে MSME। যদিও বর্তমানে এই স্কিমের প্রযুক্তিগত ও প্রক্রিয়াগত কিছু জটিলতা চলছে। তবে সেটা খুব শীঘ্রই কাটিয়ে ওঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন SBI এর চেয়ারম্যান।

জানিয়ে রাখি, গত বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছিল ECLGS 5.0 এর। মূলত MSME এবং বিমান পরিবহন খাতে আর্থিক সমস্যা দূর করতেই এই বিশেষ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসাগুলিকে প্রায় 2.55 লক্ষ কোটি টাকার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।। শুধু তাই নয় এই বিশেষ প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন বিমান সংস্থাগুলি 5 হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য পাবে।

অবশ্যই পড়ুন: ‘আমি গুছিয়ে নিয়েছি’ বিজেপিতে ফিরছেন বাবুল সুপ্রিয়? জানিয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ

কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র বলছে, ইমারজেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম 5.0 মূলত ইরান সংকটের কারণে তৈরি হওয়া আর্থিক সমস্যা দূর করে ব্যবসা গুলিকে সাহায্য করার জন্যই আনা হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে MSME ও এয়ারলাইন সেক্টরকে অতিরিক্ত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল যোগান দেওয়াই লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে লোন পাওয়ার শর্ত হল এই লোন মূলত ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে 5 বছরের মেয়াদে দেওয়া হয়ে থাকে।

বিমান সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে আবার ঋণের মেয়াদ হয়ে থাকে 7 বছর।। তবে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে যে ঋণ দেওয়া হয় তার প্রথম এক বছরের কিস্তি শোধ করলে ছাড় পাওয়া যায়।। সরকারের তরফে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার সংকটের কারণে শিক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বিদ্যুৎ, উদ্যান পালন এমনকি চিনি শিল্প প্রভাবিত হয়নি। তবে যেসব খাতে প্রভাব পড়েছে সেইসব খাতের সংস্থা এবং ব্যবসায়ীদের আর্থিক সাহায্য করার জন্যই এই বিশেষ প্রকল্প।