সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। বিজেপি সরকার আসতেই বিভিন্ন রকম দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সেই সূত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেছেন যে, কোনও ধর্মীয় জমায়েত রাস্তার উপর করা যাবে না। এমনকি মুসলিমদের জন্য রাস্তায় নামাজ পড়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন তিনি। সেই নিয়েই একের পর এক বিক্ষোভ লক্ষ্য করে যাচ্ছে শহর কলকাতায়। আর আজ মুসলিমদেরর আন্দোলনে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পার্ক সার্কাস (Park Circus)।
পার্ক সার্কাসে মুসলিমদের বিক্ষোভ
আসলে মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় নামাজ পড়তে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই মুসলিমরা একের পর এক বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আজ মুসলিম অধ্যুষিত পার্ক সার্কাসের মোড়ে বিক্ষোভে নামেন মুসলিমরা। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে তাঁদেরকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি চালানো শুরু করে পুলিশ। এমতাবস্থায় সংঘর্ষ আরও মারাত্মকে রূপ নেয়। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং সিআরপিএফ জওয়ানরা। অভিযোগ ওঠে, রাস্তায় নামাজ পড়া সংক্রান্ত নতুন সরকারের কয়েকটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই সেভেন পয়েন্ট ক্রসে অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
#WATCH | West Bengal | A stone pelting incident occured after a clash erupted between Kolkata Police and protestors at the Park Street area in Kolkata. pic.twitter.com/9ezaXir6pm
— ANI (@ANI) May 17, 2026
তবে পুলিশ এবং কেন্দ্র বাহিনী মিলে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়েই লাঠি চালাতে হয় পুলিশকে। তবে পুলিশের দিকে যে ইট ছোঁড়া হয়, তাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও খবর। এমনকি বিক্ষোভকারীদের মধ্যেও কেউ কেউ আহত হয়েছেন। সূত্রের খবর, তারা আপাতত একটি রাস্তার মধ্যে থেকেই তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে জাচ্ছেন। তবে যান চলাচল আপাতত স্বাভাবিক। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ঘটনাস্থলে র্যাপও নামিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রেলের তৎপরতায় ভোল বদলে গেল শিয়ালদা স্টেশনের, সুবিধা যাত্রীদের
উল্লেখ্য, এটা নতুন নয়, গত পরশুদিন কলকাতা রাজাবাজারেও এরকম সংঘর্ষে লিপ্ত হয় স্থানীয় মুসলিমরা। তাদের দাবি, তারা রাস্তার উপরেই নামাজ পড়বে। পুলিশের কোনও তোয়াক্কা করবে না। এমনকি মুহূর্তের মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে তাদের বচসা হাতাহাতিতে রূপ নিয়েছিল। আর সেখানেও পুলিশকে বাধ্য হয়ে সিআরপিএফ মোতায়েন করতে হয়। কিনতি পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, আইন কোনও ভাবে নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।










