দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স! সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচারদের বদলির তথ্য চাইল স্কুল শিক্ষা দপ্তর

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: তৃণমূল আমলের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির উপর কোনও মতে টিকে ছিল রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা! তবে বাংলায় পালাবদল হতেই এবার পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র থেকে দুর্নীতি নামক বিষয়টিকে মুছে ফেলতে চাইছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার (Government Of West Bengal)। সরকার গঠনের পর থেকেই সেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রত্যেকটি স্তরে যাতে স্বচ্ছতার সাথে কাজকর্ম হয় সেদিকে কড়া নজর রেখেছে নবান্ন। এরই মাঝে এবার, বিগত বছরগুলিতে রাজ্যের কোন স্কুলে কতজন সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচার বদলি হয়েছেন, কোন পদ্ধতিতে এই বদলি হয়েছে সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠালো স্কুল শিক্ষা দপ্তর

সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচারদের বদলির তথ্য খতিয়ে দেখবে দপ্তর

পূর্বতন সরকারের আমলে বয়স ভিত্তিক শিক্ষকের শূন্যস্থান রেখেই কি কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা প্রভাব খাটিয়ে বদলি হয়েছেন? বদলি হওয়ার পর কি ওই শূন্যস্থান পূরণ করা যায়নি? এক কথায়, বিগত বছরগুলিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে সিঙ্গেল সাবজেক্ট শিক্ষক বা টিচাররা কীভাবে বদলি হয়েছেন সেই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠালো স্কুল শিক্ষা দপ্তর। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে প্রত্যেকটি জেলা স্কুল পরিদর্শককে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে তা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে, কেন হঠাৎ সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচারদের বদলি সংক্রান্ত তথ্য চাইছে সরকার? এ প্রসঙ্গে বিকাশ ভবনের এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, একটি স্কুলে যখন নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষক থাকেন তখন তাঁকে বলা হয় সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচার। সাধারণত ওই টিচার তখনই বদলি হতে পারেন যখন জেলাস্কুল পরিদর্শক তাঁর বদলি হিসেবে অন্য একজন শিক্ষককে নিয়োগ করতে পারেন। যদি সেটা না হয় সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শিক্ষকের বদলিতে প্রভাব পড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায়।

অবশ্যই পড়ুন: এবার সরাসরি মেট্রোর সাথে জুড়ে যাচ্ছে হাসনাবাদ, বিরাট ঘোষণা রেলের

সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলগুলিতে সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচারদের বিকল্প না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে বহু শিক্ষক বদলি নিয়ে নিয়েছেন। যার প্রভাব পড়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায়। মূলত সে কারণেই এবার সিঙ্গেল সাবজেক্ট টিচারদের বদলি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে চাইছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।