৫১ দিন পর মার্গী হবে শনি, ঘুরবে তিন রাশির ভাগ্যের চাকা, কর্ম ও ধনলাভের যোগ

Published:

Saturn Transit

অনন্যা সরকার, কলকাতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি দেবকে কর্মফলদাতা বলা হয়। তাই শনির গতির পরিবর্তন (Saturn Transit /Shani Gochar) সমস্ত রাশিচক্রের ১২টি রাশির জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছরটা শনি মীন রাশিতে অবস্থান করবে। বর্তমানে শনি বক্রী (Saturn Retrograde) গতিতে চলছে। তবে শীঘ্রই শনি তার গতিপথ পাল্টাবে। শনির গতির এই পরিবর্তন প্রতিটি রাশিকে প্রভাবিত করতে চলেছে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১১ ডিসেম্বর ভোর ৫টায় শনি বক্রী অবস্থা থেকে মার্গী হবে। এরপর ২০২৭ সাল পর্যন্ত শনি মার্গী অবস্থাতেই থাকবে। আগামী বছরের আগস্ট মাস থেকে শনি আবার বক্রী হবে। জ্যোতিষ বিশারদরা জানাচ্ছেন, ৫১ দিন পর শনির এই মার্গী গতি তিনটি রাশির জাতক-জাতিকার জন্য অত্যন্ত শুভ সময় বয়ে আনতে চলেছে। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, শনির মার্গী গতির কারণে কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হতে চলেছে। 

বৃষ রাশি:

বৃষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য শনির মার্গী গতিতে গোচর শুভ বলে মনে করা হয়। থেমে থাকা কাজগুলি আবার শুরু হতে পারে। কর্মজীবনে পদোন্নতি হওয়ার যোগ রয়েছে, তবে তার জন্য নিজের ভূমিকা ভালোভাবে পালন করতে হবে। এসময় বৃষ রাশির আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। অর্থ বিচক্ষণতার সাথে ব্যবহার করলে সঞ্চয় বৃদ্ধি পেতে পারে। বৃষ রাশির জাতক জাতিকারা এই সময় শনি চালিসা পাঠ করলে আরো ভালো ফল পাবেন।

তুলা রাশি:

তুলা রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য শনির মার্গী গতিতে গোচর ইতিবাচক ফল দিতে চলেছে।  ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে সময়টি খুবই শুভ। বিদেশ থেকে লাভজনক চুক্তি আসতে পারে। আর্থিক অবস্থার প্রভূত উন্নতি হতে চলেছে। কাজের জন্য বিদেশে ভ্রমণের সুযোগও আসবে। শনি মন্ত্র জপ করলে তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা আরও শুভ ফল পাবেন।

আরও পড়ুন: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য, এই পাঁচ সরকারি স্কলারশিপ পূরণ করবে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

মকর রাশি:

মকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও শনির মার্গী অবস্থা শুভ বলে মনে করা হয়। এসময় জীবনসঙ্গীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে। পরিবারে সুখ-শান্তি বিরাজ করবে। হঠাৎ করেই আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার যোগ রয়েছে। সন্তানদের কাছ থেকেও এসময় সুসংবাদ পেতে পারেন। যথাযথভাবে ভগবান শিবের পুজো ও শ্রী শিব চালিসা পাঠ করলে আরও শুভ ফল পাবেন মকর রাশির জাতক-জাতিকারা।

বিঃ দ্রঃ – এই নিবন্ধটি জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস ও বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। এটি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নয় এবং এর মাধ্যমে পাঠকদের কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুনিশ্চিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে না।

google button