দুর্যোগ হোক বা বিপর্যয়, আর ফোনে আসবে না এমার্জেন্সি অ্যালার্ট! ঘোষণা NDAM-র

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বন্যা, ভূমিকম্প বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ পরিস্থিতিতে সতর্কতা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে এমার্জেন্সি অ্যালার্ট (Cell Broadcast) মেসেজ পাঠাচ্ছিল সরকার। বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে এই সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেম নিয়মিত চলবে। তবে আচমকাই সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেমের আওতায় মোবাইল ফোনে আসা এমার্জেন্সি অ্যালার্ট মেসেজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল। শনিবার অর্থাৎ গতকালই এই বিশেষ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা NDMA।

কেন হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হল এমার্জেন্সি অ্যালার্ট?

শনিবার একেবারে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতদিন দুর্যোগ পরিস্থিতির আগাম সতর্কতা হিসেবে প্রত্যেকের স্মার্টফোনে এমার্জেন্সি অ্যালার্ট মেসেজ পাঠানো হচ্ছিল। তবে এবার থেকে আর সেটা হবে না। আপাতত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই এই পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই পরিষেবা চালু করা হবে না।

বলাই বাহুল্য, মূলত সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যেই দুর্যোগ বা বড় ধরনের কোনও বিপর্যয় কিংবা জরুরী বার্তা বা তথ্য পাঠানো হতো প্রত্যেকের স্মার্টফোনে। সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেমের আওতায় হঠাৎ করেই ফোনে বেজে উঠতো অ্যালার্ট। তারপরই সতর্ক হয়ে যেতেন ব্যবহারকারী। কিছুদিন আগেই উত্তর ভারতে তীব্র বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি এমনকি ঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল এই সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেমের মাধ্যমে।

অবশ্যই পড়ুন: যে তিন কারণে মরক্কোকে হারাতে পারল না ব্রাজিল

প্রসঙ্গত, এই সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেমের আওতায় সাধারণ মানুষের ফোনে যে এমার্জেন্সি অ্যালার্ট মেসেজ পাঠানো হয় তার জন্য আলাদা করে কোনও ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি দুর্বল নেটওয়ার্ক যুক্ত অঞ্চলেও সহজেই পাঠানো যায় এই অ্যালার্ট। শুধু তাই নয়, ফোনে সিম না থাকলেও সরকারের তরফে দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে যাচ্ছিল ফোনে। তাতে আগে থেকে সতর্ক হয়ে যেতে পারছিলেন সাধারণ মানুষ। এবার সেই পরিষেবাই বন্ধ করা হচ্ছে