বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দৈনন্দিন জীবনে আপনি কী কিনছেন, কত দামে কিনছেন এবং কোথা থেকে কিনছেন, এবার থেকে সেই সব তথ্য রাখবে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)! কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় সরকার কনজিউমার এক্সপেন্ডিচার সার্ভের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শহর বা গ্রামের মানুষজন কোন কোন জিনিস কিনছেন, এবং সেই পণ্যের পেছনে কত অর্থ খরচ করছেন সেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত দেশে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাস্টমারের পণ্য কেনার ধরন এবং খুচরো বাজার সম্পর্কে ধারণা ও তথ্য পেতেই এই সমীক্ষা চালাবে সরকার!
বিরাট পদক্ষেপের পথে কেন্দ্রীয় সরকার
ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয়ের তরফে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন পণ্য কেনার ধরন এবং সেগুলির জন্য অর্থ খরচের তথ্য সংগ্রহের জন্য এই বিশেষ সমীক্ষা চালানো হবে। তবে ঠিক কবে নাগাদ বা কোন বছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিশেষ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মসূচিটি শুরু হবে তা জানা যায়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, প্রস্তাবিত এই বিশেষ কর্মসূচিতে দেশের প্রায় সমস্ত খুচরো ব্যবসাকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। অর্থাৎ মুদি দোকান থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স দ্রব্য, ওষুধের দোকান এমনকি কাপড়ের দোকানের মতো খুচরো ব্যবসাও এই কর্মসূচির অধীনে আসবে।
রিপোর্ট বলছে, এই বিশেষ কর্মসূচির অধীনে টেলিভিশন থেকে শুরু করে রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিনের মতো টেকসই পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ভোগ্য পণ্য, খাদ্য সামগ্রী সহ ওষুধ, পোশাকের মতো পণ্যগুলির বিক্রি সংক্রান্ত তথ্য ও সংগ্রহ করবে সরকার। এর মধ্যে দিয়ে আসলে। দেশের কোন শহরে কী ধরনের পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি তা বোঝার চেষ্টা করবে সরকার।
অবশ্যই পড়ুন: ভোট দেন অথচ ৬২ হাজারের ভোটারের নেই রেশন কার্ড! উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে এই বিশেষ সমীক্ষা চালানো হলে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ক্ষেত্রে দেশের আম জনতার পণ্য কেনা বেচা সংক্রান্ত লেনদেনের তথ্য সরাসরি চলে যাবে সরকারের কাছে। বিশেষ করে ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবার ফলে তথ্য সংগ্রহে অনেকটাই সুবিধা হবে কেন্দ্রের। জানিয়ে রাখা প্রয়োজন, বিগত দিনগুলিতে ভারতের ডিজিটাল পেমেন্টের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত জুন মাসে বিভিন্ন মুদি দোকান এবং সুপার মার্কেটগুলিতে ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল অন্তত 79 হাজার 705 কোটি টাকা।










