প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এখনই থামছে না কিছুই, ফের দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিল ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janata Party)। জানা গিয়েছে, ছাত্র ও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহার না করা হলে ফের আন্দোলন হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মিলতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুর বদল করল সরকার। রাতারাতি অসম এবং বিহার সরকার NEET আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহারের (CJP FIR Withdrawal Bihar Assam) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই পোস্ট।
ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিক্ষোভ কারীদের
গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত NEET আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্তত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই সেই নিয়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ দাবি করেছিল যে, নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদ করতে গিয়ে আটক হওয়া পড়ুয়াদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে FIR খারিজ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু এখনও পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অসম-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ‘ধরপাকড়’ চলছে। মামলা প্রত্যাহারও হয়নি। যদি এই বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে ফের আন্দোলনের পথে নামার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপরই অসম এবং বিহার সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
কী বলছেন সৌরভ দাস?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, সোমবার X-এ দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি জানান, সরকারপক্ষের প্রতিনিধিরা CJP নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে বিহার ও অসমে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তির কপি দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও প্রশাসনিক বা পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। এবং ওই বিক্ষোভের জেরে যাঁদের গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও মুক্তি দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: দেশের দরিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী তিনি, মোট সম্পত্তি কত শুভেন্দু অধিকারীর?
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৫ জুলাই বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির তরফে ডাকা বিহার বন্ধ চলাকালীন ৬৯৪ জনকে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৩৯ জন নাবালককে ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকি ৩৫৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই তাঁদেরও ছেড়ে দেওয়া হবে। সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্টে সৌরভ দাস আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংগঠন তাঁদের পাশে রয়েছে এবং আন্দোলনের সময় যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বা যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে।










