সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের (Sourav Das) ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। দিল্লিতে বসবাস সংক্রান্ত নথিপত্র এবং রেন্ট এগ্রিমেন্ট জমা দেওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কের মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন ককরোচ নেতা সৌরভ দাস। দিল্লির আবাসিক পরিচয় নিয়ে ওঠা নানারকম প্রশ্ন এবং কটাক্ষের কড়া ভাষায় জবাব দিয়ে সৌরভ দাস দাবি করেছেন যে সমালোচকরা হয়তো একদিন তাঁকে অন্য গ্রহের বাসিন্দা বা এলিয়েন হিসাবেও প্রমাণ করে ছাড়বেন।
সৌরভ, অভিজিৎদের নাগরিকত্ব নিয়ে চর্চা
আমেরিকাতে পড়াশোনা করতেন অভিজিৎ দীপকে। সেখান থেকেই তৈরি করেন ককরোচ জনতা পার্টি। সরকার বিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়াই এখন তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। সেই দলের অন্যতম প্রধান দুই মুখ সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কা। শিক্ষামন্ত্রীর পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চলছে দেশজুড়ে প্রতিবাদ। যদিও সম্প্রতি সেই প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা করেছেন অভিজিৎ। তবে সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে জাতীয় পতাকা বা তিরঙ্গা উত্তোলনের অভিযোগে ককরোচ নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কাকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর ২১ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছেন তাঁরা।
এদিকে জামিন পাওয়ার পর শান্তি বজায় রাখার শর্তে তৈরি পিস বন্ড প্রক্রিয়া চলাকালীন শুরু হয় আইনি জটিলতা। নিয়ম অনুযায়ী, আদালত দিল্লির আবাসিক পরিচয় আর বৈধ ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এদিকে আইনি প্রক্রিয়া এবং শুনানির সময় দিল্লির স্পেশাল ইনস্টিটিউট ম্যাজিস্ট্রেট ঋজু দাস লক্ষ্য করেন যে আদালত চত্বরে জামিনদারের সঙ্গে উপস্থিত থাকায় সিজেপির নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কা যে নথিপত্রগুলি জমা দিয়েছেন তা দিল্লিতে তাঁদের পাকাপাকি বা বৈধ বর্তমান বাসস্থানের প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট নয়।
আরও পড়ুন: মুখোমুখি সংঘর্ষ দুই বিমানের, ফিলিপাইনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পাইলটসহ নিহত ৪
ম্যাজিস্ট্রেটের এই পর্যবেক্ষণের পরপরই বিষয়টি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মহলে জল্পনা শুরু হয় যে সৌরভ দাস আদালতের সামনে দিল্লির কোনও ভাড়া বাড়ির চুক্তি বা লিজ নেওয়া জমির দলিল জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সেই আলোচনার পরই সমালোচকদের এবার কড়া জবাব দিয়েছেন সৌরভ। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “এই ডানপন্থী অন্ধভক্তরা শীঘ্রই প্রমাণ করবে যে আমি নেপচুন থেকে আসা এক ভিনগ্রহী।”










