বছরে উৎপাদন হবে ২ টন হলুদ ধাতু! উদ্বোধন হল দেশের প্রথম বেসরকারি সোনার খনি

Published:

Gold Mine

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের মুকুটে নয়া পালক! স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম বেসরকারি সোনার খনি (Gold Mine) চালুর মাধ্যমে বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করে ফেলল ভারত। হ্যাঁ, এই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থা বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে সোনা উত্তোলন শুরু করেছে। এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু কুর্নুল জেলার জনিগিরি গোল্ড প্রোজেক্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বলেই খবর। তবে এই খনি থেকে বছরে কত পরিমান সোনা উত্তোলন করা হবে? জানলে চমকে উঠবেন।

দেশেই উত্তোলন হবে বিপুল পরিমাণ সোনা

সূত্রের খবর, এই খনি প্রকল্পটি অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলার জনিগিরি গ্রামে স্থাপন করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, জিওমাইসোর সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং ডেকান গোল্ড মাইনস লিমিটেডের অংশীদারিত্বে খনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমনকি এই প্রকল্পে আনুমানিক ৪০৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। আর এটিকে ভারতের খনি শিল্পের জন্য একটি বৃহৎ উন্নয়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই স্বর্ণ উত্তোলন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকল্পটি দেশের অভ্যন্তরীণ স্বর্ণ উৎপাদন ক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়াবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই খনির মূল লক্ষ্য হবে আগামী কয়েক বছরে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষ নাগাদ খনিটি থেকে আনুমানিক ৪০০ কেজি সোনা উৎপাদন করা হতে পারে বলেই অনুমান। এমনকি খনন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অগ্রগতির সঙ্গে বার্ষিক উৎপাদন ৯০০ কেজি থেকে ১০০০ কেজির মধ্যে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবথেকে বড় ব্যাপার, দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পটির উদপাদন ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে বছরে ২ টন করা হতে পারে বলেই দাবি করছে বেশ কিছু রিপোর্ট।

আরও পড়ুন: ছুটির দিনেও যেতে হবে অফিসে! প্রকাশ্যে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি

বলে রাখি, আনুমানিক ৫৯৮ হেক্টর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই সোনার খনিটি, যা এটিকে দেশের সবথেকে বড় বেসরকারি স্বর্ণ খনন প্রকল্পে পরিণত করেছে। এমনকি সোনা উত্তোলন ও পরিশোধন করার জন্য আধুনিক খনি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সোনা উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই এলাকায় প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আপাতত প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৭০০ জনের কর্মসংস্থান পাবে বলেই দাবি করছে বেশ কিছু রিপোর্ট, এবং এতে যে দেশের অর্থনীতি আরও ত্বরান্বিত হবে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।