সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ PF-এর টাকা, সুদ নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এবার শুধু অপেক্ষা করতে হবে ১৫ জুলাই অবধি। ব্যস তারপরেই বড় উপহার অপেক্ষা করছে ৩৪ কোটি EPFO সদস্যের জন্য। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য বুধবার ঘোষণা করেছেন যে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড জমার উপর বার্ষিক সুদ ১৫ই জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত সদস্যদের অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে।
১৫ জুলাইয়ের মধ্যে মিলবে সুদ
আগে সুদের হার ঘোষণার পর তা পেতে অক্টোবর বা নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো, কিন্তু এবার এই প্রক্রিয়াটিকে অনেক সহজ হয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সকলে একটাই প্রশ্ন তুলছিলেন, কবে এবং কতটা সুদের টাকা অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে? অর্থ মন্ত্রক সম্প্রতি ইপিএফও-র সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের সুপারিশ অনুমোদন করেছে, যার ফলে এই বছর ৮.২৫% হারে সুদ প্রদান করা হবে। দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ সদস্যের অ্যাকাউন্টে মোট ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি জমা করা হবে।
First time after centralization of EPFO (Employees’ Provident Fund Organisation), annual interest for Financial year 2025-26 at 8.25% to 34 Crore member accounts estimated at over Rs 1.44 Lakh Crores will be auto-processed and credited to account by July 15: Union Minister for… pic.twitter.com/JEAE2Dlsyn
— ANI (@ANI) July 8, 2026
বিশেষ বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে এদিন বড় তথ্য দিয়েছেন মোদী ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। মনসুখ মান্ডব্য জানান যে নতুন ব্যবস্থা অর্থাৎ সেন্ট্রালাইজড আইটি এনাবলড সার্ভিসেস CITES প্রকল্পেড় অধীনে, সুদ অটোমেটিকভাবে প্রক্রিয়া করা হবে এবং সদস্যদের অ্যাকাউন্টে জমা করার আগে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মকর্তারা তা যাচাই করবেন। সদস্যরা এখন থেকে ১৫ই জুলাই পর্যন্ত তাদের পাসবুকে সুদের হিসাব দেখতে পারবেন। EPFO ও তার সকল সদস্যের রেকর্ড একটি নতুন কেন্দ্রীভূত ডেটাবেসে ট্রান্সফারের কাজ সম্পন্ন করেছে। এর মানে হলো, এখন থেকে দেশের যেকোনো অনুমোদিত কেন্দ্র থেকে যেকোনো সদস্যের পরিষেবার অনুরোধ প্রক্রিয়া করা যাবে। এটি সদস্যদের সুবিধা দেবে এবং ইপিএফও-এর কাজকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলবে।
আরও পড়ুনঃ আরও নিরাপদ ও স্মার্ট! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কোচে বড় পরিবর্তন আনছে রেল
মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, এখন থেকে যেকোনো ক্লেইম প্রক্রিয়াকরণের আগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূর্ব-যাচাই করা হবে। দাবির মধ্যে কোনো ঘাটতি বা ত্রুটি থাকলে তা আগেভাগেই শনাক্ত করা হবে এবং সদস্যকে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করা হবে। এর ফলে সদস্যের ক্লেইম প্রত্যাখ্যানের হার কমবে এবং প্রথমবারেই দাবি গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।










